কোন কোন আসন অভ্যাসে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়? ছবি: ফ্রিপিক।
সুগার এখন ঘরে ঘরে। কাউকে নিয়মিত ওষুধ খেয়ে যেতে হয়, কেউ নেন ইনসুলিন ইঞ্জেকশন। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ওষুধের পাশাপাশি ব্যায়াম করাও জরুরি। যোগাসনের এমন কিছু পদ্ধতি আছে, যা নিয়ম করে অভ্যাস করলে অগ্ন্যাশয়ের কোষগুলির সক্রিয়তা বাড়বে। হরমোনের ক্ষরণে ভারসাম্য থাকবে। সুগারের ওঠানামা ঠেকাতে অভ্যাস করতে পারেন তিন ধরনের যোগাসন।
মণ্ডূকাসন
প্রথমে বজ্রাসনের ভঙ্গিতে বসুন। অর্থাৎ হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের উপর বসুন। এ বার খানিকটা হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে ধীরে ধীরে মাটিতে উপুড় হওয়ার চেষ্টা করুন। দু’টি পা ছড়িয়ে দিন দু’পাশে। এমন ভাবে ছড়াতে হবে, যেন দু’টি হাঁটু মাটি স্পর্শ করে থাকে। কিন্তু দু’টি ঊরু মাটি থেকে খানিকটা উপরে থাকে। খেয়াল করবেন, দেখতে অনেকটা ব্যাঙের মতো লাগবে। থুতনি, বুক এবং পেটের উপরিভাগ মাটির সঙ্গে ঠেকিয়ে রাখতে হবে। তবে শুরুতেই সমস্যা হতে পারে। অভ্যাস হয়ে গেলে ধীরে ধীরে এই ভঙ্গিও সহজে করতে পারবেন।
সুপ্ত মৎস্যেন্দ্রাসন
প্রথমে শবাসনে শুতে হবে। শরীর টানটান থাকবে। এ বার ডান হাঁটু মুড়ে বাঁ হাত দিয়ে ডান হাঁটুটিকে ধরে আপনার বাঁ দিকে নিয়ে যান। অর্থাৎ, শরীরের বাঁ দিকে মোচড় দিন। একই ভাবে অন্য পায়েও একই ভাবে আসনটি করুন। এতে পিঠ ও কোমরের পেশির স্ট্রেচিং হবে, ব্যথা তাড়াতাড়ি কমে যাবে।
এক পদ সর্বাঙ্গাসন
চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। পা দু’টি জোড়া করে উপরে তুলুন। এ বার দু’হাতের তালু দিয়ে পিঠ এমন ভাবে ঠেলে ধরুন, যেন ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত এক সরলেরখায় থাকে। থুতনিটি বুকের সঙ্গে লেগে থাকবে। দৃষ্টি থাকবে পায়ের আঙুলের দিকে। এর পর একটি পা ধীরে ধীরে নামিয়ে আনুন। অন্য পা উপরেই তোলা থাকবে। এমন ভঙ্গিতে পিঠ ও কোমর সোজা রাখতে হবে। শরীরের ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করতে হবে।