—প্রতীকী ছবি।
নতুন বছর শুরু হলেই অনেক মানুষ নানা জিনিস পরিকল্পনার সঙ্গে সেই বছর কোথায় ঘুরতে যাবেন সেই পরিকল্পনাও করে ফেলেন। বেড়াতে গিয়ে যে শুধু ভাল অভিজ্ঞতা হয় তা নয়, অনেক ক্ষেত্রে খারাপ অভিজ্ঞতার সম্মুখীনও হতে হয়। বেড়াতে গিয়ে অনেক সময় অবাঞ্ছিত বিপদও ঘটে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে অশুভ দিন বা তিথিতে শুভ কাজ শুরু করলে তাতে মনের মতো সফলতা পাওয়া যায় না। এটি যে কোনও রাশি বা লগ্নের ব্যক্তির সঙ্গেই ঘটতে পারে।
আবার জ্যোতিষশাস্ত্র মেনে ভ্রমণ শুরুর দিনক্ষণ স্থির করতে গিয়েও বিভিন্ন বিভ্রান্তির শিকার হতে হয়। কখনও তিথি ভাল, তো নক্ষত্র ভাল না, আবার নক্ষত্র ভাল হলে বার মনের মতো হয় না। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, কোন তিথি বা নক্ষত্র ভ্রমণ শুরু করার জন্য শুভ বা অশুভ তার বিভিন্ন বর্ণনা বা ব্যখ্যা বা নির্দেশ রয়েছে। এই নিয়ম সকল রাশি বা লগ্নের ব্যক্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
তিথি, নক্ষত্র এবং বার একত্র করে সামান্য যোগ বিয়োগের মাধ্যমে যাত্রার দিন নির্ধারণ করার পদ্ধতি সম্বন্ধে জ্যোতিষশাস্ত্র মতে কী বলে একটু জেনে নেওয়া যাক।
নির্দিষ্ট দিনের তিথি, বার এবং নক্ষত্রসংখ্যা যোগ করুন। যেমন তিথি প্রতিপদ: ১, দ্বিতীয়া: ২ ইত্যাদি। বারের সংখ্যা যোগ করুন, যেমন রবিবার: ১, সোমবার: ২ ইত্যাদি। নক্ষত্র সংখ্যা যেমন অশ্বিনী: ১, ভরণী: ২ ইত্যাদি। যোগফল তিন জায়গায় আলাদা লিখুন। প্রথম যোগফল ৭ দ্বারা ভাগ করুন ভাগশেষ যদি শূন্য হয় তা হলে দিন পরিবর্তন করুন। এটি যাত্রায় কিছু ভোগান্তি নির্দেশ করছে।
দ্বিতীয় যোগফল ৮ দ্বারা ভাগ করুন, অবশিষ্ট যদি শূন্য হয় তা হলে দিন পরিবর্তন করাই ভাল। কারণ সেই দিন অনর্থক অর্থ খরচ সংক্রান্ত বিষয় নির্দেশ করছে।
তৃতীয় যোগফল ৩ দ্বারা ভাগ করুন। যদি অবশিষ্ট শূন্য হয় সে ক্ষেত্রে ভ্রমণ কিন্তু সুখকর নয়। শারীরিক সমস্যা সংক্রান্ত বিষয় বা দুর্ঘটনা নির্দেশ করছে। দিন পরিবর্তন করাই ভাল।
যদি অবশিষ্ট তিনটি ক্ষেত্রেই শূন্য হয়, সে ক্ষেত্রে ওই দিনে ভ্রমণ শুরু করা কখনওই সুখকর হবে না। শূন্য না এলে ভ্রমণ শুরু করতে পারেন।
জ্যোতিষশাস্ত্রের বিখ্যাত পুস্তক ‘মুহূর্ত চিন্তামণি’ উপদেশ অনুসারে প্রতিবেদনটি লেখা হয়েছে।