Money remedy

ঋণের জালে দমবন্ধ, দিশাহীন জীবন, শনি-মঙ্গলে করা বিশেষ তিন টোটকায় কাটবে ধার-কর্জ! জেনে নিন সেই প্রতিকার

জ্যোতিষ মতে এমন কিছু টোটকা রয়েছে যা সঠিক ভাবে পালন করলে ঋণজাল থেকে উদ্ধার পাওয়া সম্ভব হয়। ইতিবাচক শক্তিও প্রদান করে এগুলি।

Advertisement
বাক্‌সিদ্ধা গার্গী
শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৪৩

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

দেনায় গলা পর্যন্ত ডুবে রয়েছে। উদ্ধারের উপায় খুঁজে খুঁজে হয়রান। ঋণ শুধু আর্থিক বোঝাই নয়, সংসারে অশান্তিরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কখনও কখনও, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঋণের ভার থেকে মুক্তি পেতে কালঘাম ছুটে যায়। জ্যোতিষ মতে এমন কিছু টোটকা রয়েছে যা সঠিক ভাবে পালন করলে ঋণজাল থেকে উদ্ধার পাওয়া সম্ভব হয়। ইতিবাচক শক্তিও প্রদান করে এগুলি।

Advertisement

ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়ার একটি প্রতিকার হল উপায় হল শনিবারে বটুক ভৈরবের আরাধনা করা। দেনার দায় থেকে নিস্তার পেতে এই টোটকাটি বিশেষ ভাবে ফলপ্রসূ বলে মনে করা হয়। এই প্রতিকারটি করার জন্য, কাঁচা তুলো থেকে ২১টি সমান মাপের সলতে প্রস্তুত করতে হবে। সেই সলতে দিয়ে ভৈরব মন্দিরে ২১টি প্রদীপ জ্বালান। একটি কালো আসনে বসে ভৈরবের কাছে প্রার্থনা করুন। চণ্ড, প্রচণ্ড, ঊর্ধ্ব কেশ, ভিষণ, ভিষণ, ব্যোমকেশ, ব্যোমবাহু এবং ব্যোম ব্যাপক এই আটটি নাম জপ করতে হবে।

আর্থিক সঙ্কট থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল শনি ও হনুমানের আরাধনা করা। ব্যবসায়ে ক্রমাগত লোকসান হলে ও ঋণ বাড়তে থাকলে এই প্রতিকারটি বিশেষ ভাবে উপকারী। এটি করার জন্য, শনিবার এবং অমাবস্যার দিনে একটি অশ্বত্থ বা বটপাতা ছিঁড়ুন। এর উপর শান্তিরাস্তু, পুষ্টিরাস্তু, তুশীতরাস্তু এই তিনটি বাক্য লিখুন। পাতাটির উপর একটি তামার মুদ্রা রাখুন এবং এটিকে একটি ধর্মগ্রন্থে স্থাপন করুন। ১১টি শনিবার ধরে এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন। প্রতি শনিবার হনুমান মন্দিরে বিউলির ডালের তৈরি যে কোনও প্রসাদ নিবেদন করলে আর্থিক দুর্ভাগ্যের মেঘ কেটে যাবে।

ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ভগবান হনুমানের ধ্যান করলেও উপকার মেলে। প্রতি দিন রাম-সীতার একটি জপমালা হাতে নিয়ে হনুমান চালিসা ও বজরং বান বা প্রার্থনা মন্ত্র জপ করুন। মঙ্গলবার ও শনিবার মাষকলাইয়ের প্রসাদ নিবেদন করুন। এই দিনগুলিতে পশ্চিম দিকে মুখ করে খাবার খান। এটি আপনার মনকে শান্ত করবে এবং আপনাকে আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে।

Advertisement
আরও পড়ুন