অজিত পওয়ারের শেষকৃত্যে ভিড় নেতা-কর্মী এবং সমর্থকদের। বৃহস্পতিবার সকালে বারামতীতে। ছবি: পিটিআই।
বারামতীতেই রাজনৈতিক জীবনের শুরু। বিমান দুর্ঘটনায় সেখানেই ইহজীবনের ইতি। আর বৃহস্পতিবার বেলায় সেই বারামতীতেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হচ্ছে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিত পওয়ারের। সকাল ১১টায় বারামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠান মাঠে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য শুরু হয়েছে। শেষকৃত্যে উপস্থিত রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গডকড়ী, অজিতের কাকা তথা তথা এনসিপি (এসপি)-র প্রধান শরদ পওয়ার।
বুধবার সন্ধ্যায় বারামতীর একটি মেডিক্যাল কলেজ থেকে অজিতের মরদেহ পুণে জেলার বিদ্যা প্রতিষ্ঠান চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে এনসিপি কর্মীরা তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানান। তারপর অজিতের কফিনবন্দি দেহাংশ ফুলে ঢাকা শকটে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর কাটেওয়াড়ির বাড়িতে। সেখানে এনসিপি নেতাকে শ্রদ্ধা জানান পরিবারের সদস্যেরা। সকাল ৯টা নাগাদ ওই শকট জিডি মদগলকর সভাগৃহের দিকে রওনা দেয়। সেখান থেকে শেষযাত্রা শুরু হয়ে শেষ হয় বিদ্যা প্রতিষ্ঠান মাঠে।
প্রিয় অজিত ‘দাদা’-কে (যে নামে মহারাষ্ট্রের রাজ্য রাজনীতিতে পরিচিত ছিলেন অজিত) শেষশ্রদ্ধা জানাতে শেষযাত্রায় পা মিলিয়েছেন এনসিপির কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁদের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। ভিড় থেকে স্লোগান উঠছে, ‘অজিত দাদা অমর রহে’।
বুধবার সকাল ৮টা ১০ মিনিট নাগাদ মুম্বই বিমানবন্দর থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অজিতের বিমান। লিয়ারজেট-৪৫ সংস্থার ছোট আকারের ব্যক্তিগত ওই বিমানে (প্রাইভেট জেট) আট থেকে ন’জনের বসার জায়গা রয়েছে। বিমানটি ভেঙে পড়ে ৮টা ৪৩ মিনিট নাগাদ, ওড়ার ঠিক ৩৩ মিনিট পর। বুধবার সকালে এই বিমান দুর্ঘটনাতেই মৃত্যু হয় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার-সহ মোট পাঁচ জনের। বুধবারই মহারাষ্ট্রে তিন দিনের শোকদিবস ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ফডণবীস। বুধবার মহারাষ্ট্রের সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হয়েছিল।