(বাঁ দিকে) চৈতন্য বঘেল। ছত্তীসগঢ়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
আবগারি দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত চৈতন্য বঘেলের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল ছত্তীসগঢ় হাই কোর্ট। ছত্তীসগঢ়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ভূপেশ বঘেলের পুত্রকে বেআইনি আর্থিক লেনদেন এবং আবগারি দুর্নীতির মামলায় গত ১৮ জুলাই গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। পরবর্তী সময় ছত্তীসগঢ় সরকারের আর্থিক অপরাধ দমন শাখা (ইওডব্লিউ) তাঁর মানে দুর্নীতি মামলা দায়ের করেছিল।
শুক্রবার ছত্তীসগঢ় হাই কোর্টের বিচারপতি অরবিন্দকুমার বর্মা দু’টি মামলাতেই চৈতন্যের জামিন মঞ্জুর করেছেন। ফলে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পরে জেল থেকে মুক্তি পেতে চলেছেন তিনি। চৈতন্যের আইনজীবী হর্ষবর্ধন পরগানিয়া বলেন, ‘‘আবগারি দুর্নীতির সম্পর্কিত দু’টি মামলায় চৈতন্য বঘেলের জামিন আবেদনের শুনানি হয়েছিল। প্রথমটি ইডি এবং দ্বিতীয়টি ইওডব্লিউ নথিভুক্ত করেছিল। ডিসেম্বরে শুনানি শেষের পরে রায় সংরক্ষিত রেখেছিল আদালত।
আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে টানা দু’দিন বাড়িতে এবং তল্লাশি চালানোর পরে চৈতন্যকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সে সময়ই ভূপেশ অভিযোগ করেছিলেন, রাজনৈতিক কারণে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তিনি চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর রায়পুরের একটি বিশেষ বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ) আদালতে ইডি তাদের চৈতন্যকে আবগারি থেকে প্রাপ্ত প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত করে। ২৬ ডিসেম্বর, ইডি পিএমএলএ আদালতে মামলার শেষ চার্জশিট দাখিল করে, যেখানে বলা হয়েছে যে কথিত কেলেঙ্কারির ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ২৮৮৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। চৈতন্য ছাড়াও, চার্জশিটে নাম উল্লেখিত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন আবগারি মন্ত্রী কাওয়াসি লক্ষ্মী এবং আরও কয়েক জন সরকারি আধিকারিকের।