Infantry Combat Vehicle

‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তানকে সমর্থন, সেই তুরস্কের শত্রুদেশ সাঁজোয়া গাড়ি কিনতে পারে ভারত থেকে

‘অপারেশন সিঁদুর’-পর্বে খোলাখুলি ইসলামাবাদকে সমর্থন করেছিল তুরস্ক। পাকিস্তান ফৌজের দেদার অস্ত্রসাহায্যও এসেছিল আঙ্কারা থেকে। সে সময় আজারবাইজ়ানও দাঁড়িয়েছিল পাকিস্তানের পাশে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:১৫
Greece looking at DRDO and TATA’s WhAP infantry combat vehicle to combat Turkey

ইনফ্যান্ট্রি কমব্যাট ভেহিকল্‌। ছবি: সংগৃহীত।

তুরস্ককে ঠেকাতে এ বার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় নজর গ্রিসের। ইউরোপের ওই দেশ এ বার টাটা শিল্পগোষ্ঠীর মালিকানাধীন ‘টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেড’ (টিএএসএল)-এর তৈরি সাঁজোয়া গাড়ি (ইনফ্যান্ট্রি কমব্যাট ভেহিকল্‌) ডব্লিউএইচএপি (হুইলড্‌ আর্মার্ড প্ল্যাটফর্ম) কেনার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে প্রকাশিত কয়েকটি খবরে দাবি।

Advertisement

সাইপ্রাস-সহ পূর্ব ভূমধ্যসাগরের দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ধারাবাহিক ভাবে বিবাদে লিপ্ত হচ্ছে গ্রিস আর তুরস্ক। সমুদ্রের সীমান্ত নিয়ে সামরিক তৎপরতা দেখা গিয়েছে দুই দেশের মধ্যে। গ্রিসের অভিযোগ, কোস, সামোস, লেসবস-সহ পূর্ব এজিয়ান সাগরের বেশ কয়েকটি দ্বীপে অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে তুরস্ক। ওই দ্বীপগুলির উপর দিয়ে নাকি নিয়মিত যুদ্ধবিমানও ওড়াচ্ছে তারা। ১৯২৩ সালে লুসানের চুক্তি অনুযায়ী ওই দ্বীপগুলির নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা পেয়েছিল গ্রিস। এ ছাড়া ১৯৭৪ সাল থেকে গ্রিসের মিত্র দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের উত্তরাংশ বেআইনি ভাবে দখল করে রেখেছে তুরস্ক। সেখানকার বাফার জ়োনে সম্প্রতি তুরস্ক সেনার তৎপরতা নজরে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে গ্রিসের এই পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

গত বছর গ্রিসের অ্যাথেন্সে আয়োজিত প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের মেলায় ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (‘ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজ়েশন’ বা ডিআরডিও)-র নকশায় তৈরি ডব্লিউএইচএপি প্রদর্শিত হয়েছিল। সেখানেই গ্রিসের নজর কাড়ে ওই সাঁজোয়া গাড়ি। ‘অপারেশন সিঁদুর’-পর্বে খোলাখুলি পাকিস্তানকে সমর্থন করেছিল তুরস্ক। পাক ফৌজের দেদার অস্ত্রসাহায্য এসেছিল আঙ্কারা থেকে। সে সময় ইসলামাবাদের পাশে দাঁড়ানো আর এক দেশ আজ়ারবাইজানের শত্রুরাষ্ট্র আর্মেনিয়াকে ইতিমধ্যেই ধারাবাহিক ভাবে সামরিক সাহায্য দিতে শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এ বার গ্রিসের পালা কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী মিটসোটাকিস। বৈঠকের পরে মোদী জানিয়েছিলেন, দু’দেশেরই প্রধান লক্ষ্য হল সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই।

Advertisement
আরও পড়ুন