Combat Air Teaming System

যুদ্ধবিমান তেজস থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে ঘাতক ড্রোনের বহর! ‘হ্যাল’-এর সহায়তায় নতুন প্রকল্প টাটাগোষ্ঠীর

হ্যাল-এর সঙ্গে ‘ন্যাশনাল অ্যারোস্পেস ল্যাবরেটরিজ’ (ন্যাল) এবং ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) যৌথ উদ্যোগে ‘ক্যাটস’ প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৩১
HAL and TATA ELXSI to develop Combat Air Teaming System for IAF

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ভারতীয় সেনার জন্য নতুন যুদ্ধড্রোন বানাতে চলেছে টাটা এলেক্সি। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ‘হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড’ (হ্যাল)-এর সহযোগিতায় ‘কমব্যাট এয়ার টিমিং সিস্টেম’ (ক্যাটস) নামে এই প্রকল্পে ‘লয়াল উইংম্যান’ প্রযুক্তির সাহায্যে যু্দ্ধবিমান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে একাধিক যুদ্ধড্রোন!

Advertisement

নতুন এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলে আকাশযুদ্ধে বায়ুসেনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে। কমবে প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা। হ্যাল-এর সঙ্গে ‘ন্যাশনাল অ্যারোস্পেস ল্যাবরেটরিজ’ (ন্যাল) এবং ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজশন বা ডিআরডিও) যৌথ উদ্যোগে ‘ক্যাটস’ প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছে। এর সাহায্যে ‘মাদারশিপ’ হিসাবে তেজস বা অন্য কোনও যু্দ্ধবিমান ব্যবহার করা হবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে।

তেজস যুদ্ধবিমানে ব্যবহারের জন্য শত্রুসেনার র‌েডার জ্যামিং, রেডিয়ো যোগাযোগ ব্যবস্থা বিকল করা এবং বৈদ্যুতিন যু্দ্ধ-ব্যবস্থা ‘ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম’কে অকার্যকর করে দেওয়ার এক অভিনব রক্ষাকবচ ইতিমধ্যেই উদ্ভাবন করেছে ডিআরডিও। আমেরিকার ‘এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ (অ্যাওয়াক্স)-এর অনুকরণে নির্মিত এই ‘এয়ারবোর্ন ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম’-এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্বয়ং রক্ষাকবচ’। এই ব্যবস্থায় একটি বিমানবাহিত ‘ইন্টিগ্রেটেড রেডার ওয়ার্নিং রিসিভার’ রয়েছে। যা শত্রুর রেডারকে ‘জ্যাম’ করতে সক্ষম। এ ছাড়া ‘স্বয়ং রক্ষাকবচ’-এর রেডার শত্রুপক্ষের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত আগাম সতর্কতা দিতে সক্ষম। ফলে ‘মাদারশিপ’ হিসেবে তেজস মার্ক-১ ব্যবহার করা হলে তা থেকে শত্রুর নজরদারি এবং প্রত্যাঘাত এড়িয়ে ঘাতক ড্রোনের বহর হামলা চালাতে পারবে।

Advertisement
আরও পড়ুন