Divorce Case

বিয়ের পর ‘পৃথিবীর দু’প্রান্তে’ স্বামী-স্ত্রী, ভিডিয়ো কনফারেন্সে কানাডার দম্পতির বিচ্ছেদে সিলমোহর ভারতের আদালতের

যে হেতু মামলাকারী দুই পক্ষেই দেশের বাইরে থাকেন, পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি-র মাধ্যমে মামলা এগোয়। মধ্যস্থতার চেষ্টা হয়। কিন্তু আদালতের নির্ধারণ করা ছ’মাসের পরেও স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই অবস্থানে অটল থাকেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৪৬
Divorce Case

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বিয়ে হয়েছিল ধুমধাম করে। মুম্বইয়ে বিয়ের আসরে নিমন্ত্রিত ছিলেন প্রচুর অতিথি। দাম্পত্যের শুরুতেই বিদেশযাত্রা করেন স্বামী-স্ত্রী। কাজের সূত্রে দু’জনেই থাকতেন দুই প্রান্তে। অতএব, বিচ্ছেদের আবেদন।

Advertisement

বর্তমানে কানাডাবাসী ওই দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদে সিলমোহর দিয়েছে ভারতের আদালত। ভিডিয়ো কনফারেন্সে শুনানিতে হাজিরা দিয়েছিলেন যুবক-যুবতী। মহারাষ্ট্রের ঠাণের আদালতের বিচারক জানালেন, দু’জনের সম্মতিক্রমে ডিভোর্স সম্পন্ন হল।

মামলাকারীদের মধ্যে স্বামীর বয়স ৩১ বছর, স্ত্রী ২৪। কর্মসূত্রের বিদেশে ভিন্ন জায়গায় থাকা দু’জনের বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালের ৯ মার্চ। মহারাষ্ট্রের ঠাণে শহরের মীরা রোডে বিবাহ অনুষ্ঠান হয়। পরে দু’জনেই বিদেশে চলে যান। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই মনোমালিন্য, অশান্তি শুরু হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে তাঁরা আলাদা থাকা শুরু করেন। ওই ভাবে বছর দুয়েক কাটে। ২০২৫ সালের ১৮ জুন দু’জনেই বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে যান।

যে হেতু মামলাকারী দুই পক্ষেই দেশের বাইরে থাকেন, পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি-র মাধ্যমে মামলা এগোয়। মধ্যস্থতার চেষ্টা হয়। কিন্তু আদালতের নির্ধারণ করা ছ’মাসের পরেও স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই অবস্থানে অটল থাকেন। দু’জনেই জানিয়ে দেন, তাঁরা বিচ্ছেদ চান।

সোমবার কানাডা থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে উপস্থিত ছিলেন যুবক-যুবতী। হলফনামা এবং ভার্চুয়াল সাক্ষ্যের মাধ্যমে দেওয়া প্রমাণ পর্যালোচনা করার পর বিচারক তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন মঞ্জুর করেন। বিচারক বলেন,‘‘প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারীর মধ্যস্থতা সত্ত্বেও আবেদনকারীরা একে অপরের সঙ্গে থাকতে আগ্রহী নন। আবেদনকারীরা একে অপরের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য ভরণপোষণ, বিরোধ ইত্যাদি পারস্পরিক ভাবে সমাধান করেছেন। আবেদনকারীদের মধ্যে সমস্ত সমস্যা নিষ্পত্তি করা হল।’’

এই ভাবে ভিডিয়ো কনফারেন্সে সম্পর্কের ইতি ঘটালেন স্বামী-স্ত্রী।

Advertisement
আরও পড়ুন