Speaker Row in Lok Sabha

পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, স্পিকারের পদ থেকে ওম বিড়লার অপসারণ চেয়ে বিরোধীদের প্রস্তাব আলোচনার জন্য গৃহীত লোকসভায়

প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার সময় কে সভার সভাপতিত্ব করবেন তা নিয়েও তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তার মধ্যেই কংগ্রেস সাংসদ মোহাম্মদ জাভেদ স্পিকারের পদ থেকে বিড়লাকে অপসারণের প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিস পড়ে শোনান।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ১৫:০১
Om Birla

ওম বিড়লা। —ফাইল ছবি।

লোকসভায় ক্ষমতাসীন দলের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ওম বিড়লাকে স্পিকারের পদ থেকে অপসারণের দাবিতে বিরোধী প্রস্তাব গৃহীত হল মঙ্গলবার। প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার সময় কে সভার সভাপতিত্ব করবেন তা নিয়েও তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তার মধ্যেই কংগ্রেস সাংসদ মোহাম্মদ জাভেদ স্পিকারের পদ থেকে বিড়লাকে অপসারণের প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিস পড়ে শোনান। জাভেদ ছাড়াও সাংসদ কে সুরেশ এবং মাল্লু রবিও ওই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

Advertisement

জাভেদ নোটিস পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিম প্রধান তথা সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি বিড়লার অনুপস্থিতিতে জগদম্বিকা পালের সভাপতিত্বের অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব তোলেন। প্রসঙ্গত প্রস্তাব খারিজ করার অধিকার কেবল স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের থাকে। জগদম্বিকা পাল কোনওটিই নন। ওয়েইসির প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে পাল্টা বিজেপির নিশিকান্ত দুবে সাংবিধানিক বিধান, আইন এবং সংসদের নিয়ম উল্লেখ করে ওই দাবি এবং অভিযোগের জবাব দেন। কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেন, ‘‘ওয়েইসির দাবি অপ্রাসঙ্গিক। কারণ, সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার সময় জগদম্বিকা লোকসভার সভাপতিত্ব করার যোগ্য ছিলেন।’’

বিড়লা-বিতর্কে সংসদে বলতে ওঠেন তৃণমূলের সৌগত রায়। তাঁর বক্তব্য, রিজিজুর উচিত ওই উদ্দেশ্যে বিশেষ ভাবে একজন প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগের জন্য একটি প্রস্তাব আনার।

যদিও সমস্ত দাবি প্রত্যাখ্যান করে জগদম্বিকা ভোট দেওয়ার নোটিস দেন এবং কমপক্ষে ৫০ জন সংসদ সদস্যকে তার সমর্থনে দাঁড়াতে বলেন। প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য উঠে দাঁড়ানোর পরে নোটিসটি গৃহীত হয়েছে। কংগ্রেসের জাভেদ প্রস্তাবটি পড়ে শোনান, যা আলোচনার জন্যও গৃহীত হয়েছে। লোকসভায় কংগ্রেসের সহদলনেতা গৌরব গগৈ আলোচনা শুরু করেন। যার জন্য ১০ ঘন্টা সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। বিতর্কের শুরুতেই গগৈ ফের প্রশ্ন তোলেন, স্পিকারের অপসারণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলাকালীন লোকসভায় কে সভাপতিত্ব করবেন? এর পর দুপুর ১টায় এক ঘন্টার মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শুরু হলে সংসদের কার্যক্রম তখনকার মতো বন্ধ থাকে।

Advertisement
আরও পড়ুন