Monsoon in India

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ঢুকে পড়লেও পর্যাপ্ত বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত দেশের অধিকাংশ অঞ্চল! কেন এই পরিস্থিতি? কোথায় বাধা?

মৌসম ভবন জানিয়েছে, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে তিন-চার দিনের মধ্যে বর্ষা নামবে। সেখানেও কি পর্যাপ্ত বৃষ্টি হবে, প্রশ্ন উঠছে এখানেও।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ১৭:০০
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

দেশে বর্ষা অনেক আগেই ঢুকে গিয়েছে। কিন্তু তার পরেও বেশির ভাগ অঞ্চলকে পর্যাপ্ত বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে কেন? বৃহস্পতিবার ইনস্যাট ৩ডিআর উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়েছে, দেশের মধ্য, পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের উপরে বর্ষণ-সহায়ক মেঘের পরিমাণ কমে গিয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে বর্ষা নামবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে দেশের যে অংশে বৃষ্টি হচ্ছে, সেখানে বৃষ্টির পরিমাণ পর্যাপ্ত নয়। স্বাভাবকি ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তিন-চার দিন পরে বর্ষা নামার কথা বলা হলেও, সেখানেও কি পর্যাপ্ত বৃষ্টি হবে?

Advertisement

মৌসম ভবন জানিয়েছে, উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়েছে, বর্ষণ-সহায়ক মেঘ মূলত মধ্যভারত, বঙ্গোপসাগর, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণ উপদ্বীপে ঘনীভূত রয়েছে। কিন্তু উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের আকাশ সম্পূর্ণ পরিষ্কার। ফলে দিল্লি-এনসিআর, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পঞ্জাব এবং রাজস্থান বৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ৪ জুন থেকে ২৬ জুনের মধ্যে দেশে ৪৫ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

আবহবিদেরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরের উপর কোনও শক্তিশালী নিম্নচাপ সৃষ্টি হচ্ছে না। এর ফলেই মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয় এবং দেশে বর্ষা সক্রিয় হতে সাহায্য করে। প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই পরিস্থিতি তৈরি না হওয়ায় মৌসুমি বায়ুও দুর্বল হয়ে পড়েছে। বৃষ্টিও পর্যাপ্ত হচ্ছে না তার জেরে। তবে এই পরিস্থিতি বেশি দিন থাকবে না বলে আশাবাদী আবহবিদেরা। আবহাওয়া মডেলগুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে, পূর্ব ভারত মহাসাগরে একটি বৃহৎ ক্রান্তীয় আবহাওয়া ব্যবস্থা তৈরি হতে পারে, যা আগামী ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করতে পারে। ফলে মৌসুমি বায়ুকে আরও সক্রিয় করতে সহায়তা করবে।

Advertisement
আরও পড়ুন