Noida Techie Death

‘পুলিশের চাপে বয়ান বদলেছি’! আবার দাবি করলেন নয়ডায় ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যুর ‘একমাত্র সাক্ষী’

অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে খাদে পড়ে গিয়েছিল ২৭ বছরের যুবরাজের গাড়ি। জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশ, দমকলকর্মীদের পাশাপাশি সেখানে ছিলেন ২৬ বছরের এক ডেলিভারি এজেন্ট মনিন্দর সিংহ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩৮
Noida techie death, witness again alleged against police

(ইনসেটে) প্রত্যক্ষদর্শী মনিন্দর সিংহ এবং যুবরাজ মেহতা। — ফাইল চিত্র।

পুলিশের চাপে বয়ান বদল করেছেন! আবারও একই দাবি করলেন নয়ডার ইঞ্জিনিয়ার যুবরাজ মেহতার মৃত্যুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ডেলিভারি এজেন্ট। তাঁর দাবি, পুলিশের লিখে দেওয়া ‘চিত্রনাট্যে’ বয়ান দেওয়ার জন্য জোর দেওয়া হয়েছিল।

Advertisement

অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে খাদে পড়ে গিয়েছিল ২৭ বছরের যুবরাজের গাড়ি। জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর। খাদের ধারে দাঁড়িয়ে পুত্রকে মারা যেতে দেখেন অসহায় পিতা। পুলিশ, দমকলকর্মীদের পাশাপাশি সেখানে ছিলেন ২৬ বছরের এক ডেলিভারি এজেন্ট মনিন্দর সিংহ। ওই শীতের রাতে কোমরে দড়ি বেঁধে খাদে নেমেছিলেন যুবরাজকে উদ্ধারের জন্য। যদিও লাভ হয়নি। সেই ডেলিভারি এজেন্টের দাবি, তাঁকে থানায় তলব করে বয়ান বদল করায় পুলিশ। শুধু তা-ই নয়, তিনি যাতে কোনও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা না-বলেন, তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়।

মনিন্দরের দাবি, ‘‘আমাকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে আমাকে একটা কাগজ ধরিয়ে দেওয়া হয়। তার পর জোর করে আমাকে বসিয়ে ভিডিয়ো রেকর্ড করায়। আমাকে চার ঘণ্টারও বেশি সময় থানার কাছের এক পার্কে বসে থাকতে বাধ্য করা হয়েছিল।’’ তাঁর আরও দাবি, পুলিশের তলব পেয়ে তিনি যখন থানায় পৌঁছোন, তখন তাঁকে নিয়ে তিন-চার জন ওই পার্কে নিয়ে গিয়ে বসান। আমি যাতে কোনও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলি, তার জন্য কড়া ভাষায় সতর্ক করেন।’’

যুবরাজের মৃত্যুর পর মনিন্দরের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিয়োয় ওই ডেলিভারি এজেন্ট দাবি করেছিলেন, নয়ডার ইঞ্জিনিয়ারকে বাঁচাতে পুলিশ এবং দমকলকর্মীরা ‘অবহেলা’ করেছে। তাঁর আরও দাবি ছিল, ঠান্ডার কারণে উদ্ধারকারী দল খাদে নামতে চায়নি। তবে পরের একটি ভিডিয়োয় সুর বদল করেন তিনি। সেখানে তিনি দাবি করেন, খবর পাওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ। অনেক চেষ্টা করেও যুবরাজকে বাঁচাতে পারেনি তারা। তবে পরে মনিন্দর দাবি করেন, ভয়ে সে সময় তিনি পুলিশের কথা মেনে নেন। তিনি বলেন, ‘‘পরে সিদ্ধান্ত নিই, সত্যের পাশে দাঁড়াব। কারণ, আমিই এই ঘটনার একমাত্র সাক্ষী। আমার পরিবার, স্থানীয়েরাও আমাকে সমর্থন করেছেন।’’ এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিন জনই ইমারত ব্যবসায়ী।

Advertisement
আরও পড়ুন