প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফাইল চিত্র।
ব্রিটিশ আমলে দিল্লির রাইসিনা হিলসের উপরে দু’টি সচিবালয় তৈরি হয়েছিল। নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক। স্বাধীনভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকেই সাউথ ব্লকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা পিএমও-র কাজ চলছে।
এ বার ১৪ জানুয়ারির পরে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর দফতর সাউথ ব্লক ছেড়ে নতুন তৈরি এগ্জ়িকিউটিভ এনক্লেভে সরে যেতে চলেছে। যার নামকরণ হয়েছে সেবা তীর্থ।
সরকারি সূত্রের খবর, গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে ‘খরমাস’ বা ‘অশুভ সময়’ শুরু হয়েছে। তা ১৪ জানুয়ারি শেষ হবে। তাই ১৪ জানুয়ারির পরে প্রধানমন্ত্রীর দফতর সাউথ ব্লক থেকে সেবা তীর্থে সরে যাবে। ক্যাবিনেট সচিবালয় ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে সেবা তীর্থে সরে গিয়েছে। খুব শীঘ্রই জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয় সরবে সেবা তীর্থে। তার পরে প্রধানমন্ত্রীর দফতর।
আগেই নর্থ ব্লক থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, অর্থ মন্ত্রকের অধিকাংশ দফতর সেন্ট্রাল ভিস্টা প্রকল্পে তৈরি কর্তব্য ভবনে সরে গিয়েছে। নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক পুরোপুরি ফাঁকা হয়ে গেলে সেখানে জাদুঘর তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে মোদী সরকার। সচিবালয়ের জন্য কর্তব্য ভবন নামের দশটি বহুতল তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনটি কর্তব্য ভবন ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে। এই কর্তব্য ভবনগুলিতে সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রক সরে যাবে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাবে নর্থ ব্লকের পিছনে দারাশুকো রোডে তৈরি প্রথম এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ-এ। তার পাশেই প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনও তৈরির কাজ চলছে।