Maoists surrender

শাহের বেঁধে দেওয়া সময়ের আগে আত্মসমর্পণ বস্তারের শেষ মাওবাদী কমান্ডারের! মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা

২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীমুক্ত হবে দেশ, এমনই ঘোষণা করেছিলেন শাহ। সেই সময়সীমা পার হওয়ার আগেই ১৪ জন মাওবাদী সদস্যকে নিয়ে বন্দুক ছেড়ে মূল স্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাপা রাও।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৮:০৮
Two maoist top leader in Chhattisgarh and odisha surrenders

ছত্তীসগঢ়়ের মাওবাদী নেতা পাপা রাও। ছবি: সংগৃহীত।

আর মাত্র ছ’দিন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার আগেই আত্মসমর্পণ করলেন ছত্তীসগঢ়ের বস্তার অঞ্চলের শেষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাও। তাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীমুক্ত হবে দেশ, এমনই ঘোষণা করেছিলেন শাহ। সেই সময়সীমা পার হওয়ার আগেই ১৪ জন মাওবাদী সদস্যকে নিয়ে বন্দুক ছেড়ে মূল স্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাপা রাও।

Advertisement

মঙ্গলবার বিজাপুরে জেলা সদর দফতরে আত্মসমর্পণ করেন পাপা। প্রশাসনের হাতে একে ৪৭, এসএলআর-সহ সমস্ত অস্ত্র তুলে দেন আত্মসর্পণকারী মাওবাদীরা। পাপা রাওয়ের স্ত্রী ঊর্মিলাও মাওবাদী সদস্য ছিলেন। কিন্তু ২০২৫ সালের নভেম্বরে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ঊর্মিলা মূলত মাওবাদীদের আশ্রয় দেওয়া, গোপন ডেরার ব্যবস্থা করা, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদির ব্যবস্থা করতেন।

ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাই বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চেয়েছিলেন দেশ মাওবাদী মুক্ত হোক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন। আর কয়েক দিন পরই সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে। সুতরাং পাপা রাও যে আত্মসমর্পণ করছেন, এটা একটা দারুণ খবর।’’ দণ্ডকারণ্য অঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন পাপা রাও। নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাঁর নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি গুলির লড়াই চালান মাওবাদীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, পাপা রাওয়ের আত্মসমর্পণে দণ্ডকারণ্য অঞ্চলে মাওবাদীদের নেতৃত্ব দেওয়ার মতো আর বড় কোনও মাথা থাকল না। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা দাবি করেছেন, পাপা রাওয়ের আত্মসমর্পণের পর মাওবাদী মুক্ত হল রাজ্য। এই রাজ্যে মাওবাদীদের আরও কোনও শীর্ষ নেতা থাকল না।

অন্য দিকে, ওড়িশাতেও ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাওবাদী নেতা সুকরু আত্মসমর্পণ করেছেন। মাওবাদী দমন অভিযানের সঙ্গে যুক্ত কন্ধমল পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি সঞ্জীব পন্ডা জানিয়েছেন, কন্ধমল জেলায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন সুকরু। দীর্ঘ দিন ধরেই তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। তাঁর মাথার দাম ছিল ৫৫ লক্ষ টাকা।

Advertisement
আরও পড়ুন