ছবি: সংগৃহীত।
ঘর সাজাতে বা প্রিয়জনকে শুভেচ্ছা জানাতে ইনডোর প্ল্যান্ট দেওয়ার চল এখন অনেক বেড়েছে। যাঁরা খুব একটা বাগান করতে অভ্যস্ত নন, তাঁদের জন্যও এমন কিছু গাছ বেছে নেওয়া যেতে পারে যা দেখতে সুন্দর অথচ যত্ন নিতে খুব একটা সমস্যায় পড়বেন না।
১. স্নেক প্ল্যান্ট
যাঁরা গাছের যত্ন নিতে একদমই সময় পান না, তাঁদের জন্য এটি সেরা উপহার। এই গাছ খুব কম আলোতেও বেঁচে থাকে এবং সপ্তাহে একদিন জল দিলেই চলে। এর বিশেষত্ব হলো এটি রাতেও অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বাতাস থেকে টক্সিন দূর করে ঘরকে সতেজ রাখে।
২. মানিপ্ল্যান্ট
মাটির টব বা কাঁচের বোতলে শুধু জলেও সাজিয়ে রাখা যায়। ঘরের যেকোনও কোণে লতানো এই সবুজ গাছটি এক নিমেষে আভিজাত্য বাড়িয়ে দেয়। বিশ্বাস করা হয়, এটি ঘরে শুভ শক্তি নিয়ে আসে, তাই উপহার হিসেবে এটি খুবই সমাদৃত।
৩. পিস লিলি
সাদা রঙের ফুলের জন্য পিস লিলি সবার প্রিয়। এটি ড্রয়িং রুমের জন্য আদর্শ । পিস লিলি ঘরের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং দেখতে অত্যন্ত মার্জিত। যারা গাছের প্রতি খুব একটা আগ্রহী নন, তারাও এর সুন্দর সাদা ফুল দেখে মুগ্ধ হতে বাধ্য।
৪. অ্যালোভেরা
উপহার হিসেবে অ্যালোভেরা দেওয়া মানে স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য উভয়ই উপহার দেওয়া। এটি যেমন ত্বকের যত্নে কাজে লাগে, তেমনই ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখে। রোদ মাখা জানলার পাশে এই গাছ রাখলে এটি খুব দ্রুত বড় হয়। এর রক্ষণাবেক্ষণও অত্যন্ত সহজ।
৫. জেড প্ল্যান্ট
একে ‘গুড লাক প্ল্যান্ট’ বলা হয়। এটি দেখতে অনেকটা ছোট বনসাইয়ের মতো। এতে খুব বেশি জল দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। পড়ার টেবিল বা অফিসের ডেস্ক সাজানোর জন্য এটি একটি ভাল উপহার।
কেন এই গাছগুলো উপহার দেবেন?
সহজ রক্ষণাবেক্ষণ: এই গাছগুলো নষ্ট হওয়ার ভয় খুব কম, তাই অনভিজ্ঞরাও সহজে সামলাতে পারেন।
বাতাস পরিশোধন: প্রতিটি গাছই প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
সহজলভ্যতা: কলকাতার গড়িয়াহাট থেকে শুরু করে মফস্বলের যেকোনও নার্সারিতে এই গাছগুলো সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়।
টিপস: গাছ উপহার দেওয়ার সময় একটি সুন্দর সেরামিক বা মাটির কারুকাজ করা টব ব্যবহার করলে উপহারের মান বহুগুণ বেড়ে যায়।