Child skin Care Tips

ক্রিম মাখানোর পরেও শিশুর ত্বক খসখসে হয়ে যাচ্ছে, কী ভাবে যত্ন নেবেন?

তাপমাত্রা, আর্দ্রতার হেরফেরের মতো পরিবেশগত কারণে শিশুদের ত্বক সহজেই প্রভাবিত হয়ে পড়ে। তাই শিশুর কোমল ত্বককে অবশ্যই সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৮
শিশুর ত্বকের যত্ন নেবেন কী ভাবে?

শিশুর ত্বকের যত্ন নেবেন কী ভাবে? ছবি: ফ্রিপিক।

শিশুর ত্বক খুব স্পর্শকাতর। গরম হোক বা শীত, অনেক সময়ে ক্রিম মাখানোর পরেও শিশুর ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায়। শুষ্কতার কারণে ত্বকের লালচে ভাব, চুলকানি দেখা দিতে পারে। তাই তাদের কোমল ত্বকের জন্য বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। ঘরোয়া কিছু কৌশল জানা থাকলেই শিশুর ত্বকের যত্ন নেওয়া সম্ভব। সাধারণত তেল-ক্রিমেই আটকে থাকেন অভিভাবকরা। কিন্তু রুক্ষতা রুখতে আরও কিছু উপকরণও জরুরি।

Advertisement

এমনিতেই শিশুদের ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়। তাই সব রকম তেল বা ক্রিম মাখানো নিরাপদ নয়। অনেক অভিভাবক সন্তানের জন্যও নিজেদের ব্যবহার করার তেল-ক্রিমই বরাদ্দ করেন। একটু বড় হওয়ার পর তা করলে অত ক্ষতি নেই। কিন্তু অন্তত ১০ বছর বয়স পর্যন্ত তার ত্বকের যত্ন নিন বেবি প্রোডাক্টেই। প্রতি দিন স্নানের আগে শিশুর ত্বকে ভাল করে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল মালিশ করুন। তার পর শিশুকে কিছু ক্ষণ রোদে রাখুন। এতে ত্বক ভিটামিন ডি পাবে। তার পর স্নান করান শিশুকে।

স্নান শেষে শিশুর ত্বকে ময়শ্চারাইজ়ার মালিশ করা খুব জরুরি। গরম হোক, শীত হোক, সব ঋতুতেই শিশু ত্বক কোমল রাখতে ময়েশ্চারাইজ়ার মাখাতেই হবে। খুব বেশি সুগন্ধিযুক্ত ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার না কারই উচিত। ময়েশ্চারাইজ়ার কেনার আগে নিশ্চিত ভাবে দেখে নিন তাতে প্যারাবেন, থ্যালেট এবং রঞ্জকের মতো ক্ষতিকারক উপাদান আছে কি না। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত।

দুধ ঘন করে জ্বাল দিয়ে উপরের সর তুলে নিতে হবে। এই সর পরিষ্কার পাত্রে রাখবেন। এ বার একটি পাত্রে সেই মালাই নিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিতে হবে। ৩-৫ মিনিট ধরে ফেটাতে হবে যাতে ঘন ও মিহি মিশ্রণ তৈরি হয়। এ বার তাতে এক এক করে মিশিয়ে দিতে হবে নারকেল তেল, আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল। ভাল করে নাড়তে হবে। মিশ্রণ ঘন হয়ে এলে, তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে দিন। এই দুই উপাদানই ত্বক আর্দ্র ও সতেজ রাখবে।

Advertisement
আরও পড়ুন