চুলের যত্নে কী ভাবে মাখবেন পেঁয়াজ? ছবি: সংগৃহীত।
মা-ঠাকুরমাদের ঘরোয়া টোটকা এখন ব্যবসায়িক পণ্যের মোড়কে। চুলের পরিচর্যায়, নতুন চুল গজাতে পেঁয়াজের রস মাখার প্রথা নতুন নয়। পেঁয়াজে সালফারের পরিমাণ বেশি। এই খনিজটি নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে কাজ করে। পেঁয়াজের রস চুলের অন্যতম উপাদান কেরাটিন উৎপাদনের হার বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে। এ ছাড়া পেঁয়াজের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান। যা মাথার ত্বকে কোনও রকম সংক্রমণ হতে দেয় না।
সমাজমাধ্যমে চোখ রাখলেই দেখা যাবে, অনেকেই এখনও চুলের যত্নে অনেকে পেঁয়াজের রস মাখছেন। প্রসাধনীর বাজারে কদর বাড়ছে পেঁয়াজ তেল এবং পেঁয়াজ শ্যাম্পুরও। কিন্তু পেঁয়াজের রস, তেল না শ্যাম্পু— কোনটি মাখলে উপকার বেশি? চুলের বৃদ্ধি ভাল হবে কোনটিতে?
পেঁয়াজের রস: পেঁয়াজের রসে মেলে সালফার। চুলের কেরাটিন প্রোটিনের উৎস এটি। সেই কারণে, চুল গজাতে পেঁয়াজের রস মাখার চল রয়েছে। সরাসরি আঙুলের সাহায্যে এই রস চুলের গোড়ায় মাখতে হয়। এতে রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদানও। নিয়ম করে মাখলে নতুন করে চুল গজাতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজ তেল: পেঁয়াজের নির্যাস, ক্যারিয়ার অয়েলে মিশিয়ে তৈরি হয় পেঁয়াজ তেল। পেঁয়াজের রসের চেয়ে এতে সালফারের মাত্রা খানিক কমে যায়। তবে অনেকের সরাসরি পেঁয়াজের রস মাখলে চুলকাতে পারে বা সমস্যা হতে পারে। তাঁদের জন্য পেঁয়াজ তেল ভাল। তবে রুক্ষ কেশের পরিচর্যায় পেঁয়াজের নির্যাসের সঙ্গে থাকা তেল বিশেষ কাজের হতে পারে।
পেঁয়াজ শ্যাম্পু: ব্যবহার করা সহজ। তা ছাড়া, পেঁয়াজের রসের গুণাগুণ মিললেও, মাথার ত্বকে সরাসরি রস মাখলে যে অ্যালার্জির ভয় থাকে না। শ্যাম্পু লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করা জরুরি। মাথার ত্বক পরিষ্কারের কাজে আসে এটি।
কোনটি বেছে নেবেন নির্ভর করছে, কখন, কী ভাবে তা ব্যবহার করছেন তার উপরে।