অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে কোন কোন আসন করবেন? ছবি: ফ্রিপিক।
অ্যালার্জির রকমফের রয়েছে। অ্যালার্জির কিছু উৎস ঘরের ভিতরেই রয়েছে, অন্যগুলি বাইরে। সারা বছরই ঘরে জমা ধুলো, কোনও বিশেষ খাবার, পোকামাকড়ের উপদ্রব অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। পোষ্যের লোম থেকেও ছড়াতে পারে অ্যালার্জি। এ ছাড়া বাতাসে ভাসমান ফুলের রেণু, ধূলিকণা থেকে অ্যালার্জির কোপে পড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। যাদের অ্যালার্জিক রাইনাইটিস আছে, তাদের কষ্ট বেশি। সারা বছরই সর্দি-কাশি, নাক দিয়ে জল পড়া, চোখের সমস্যায় ভুগতে হয়। এর থেকে রেহাই পেতে শুধু ওষুধ খেলে হবে না, করতে হবে কিছু সহজ যোগাসন।
ভুজঙ্গাসন
প্রথমে উপুড় হয়ে ম্যাটের উপর শুতে হবে। দুই হাতের তালু কাঁধের পাশে মাটিতে রাখতে হবে, কনুই থাকবে শরীর ঘেঁষে। এটি শুরুর অবস্থান। এ বার ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে মাথা ও বুক উপরের দিকে তুলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, নাভি যেন মাটি থেকে অন্তত ৩ ইঞ্চি উপরে থাকে। ওই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ড থাকতে হবে। তিন সেট করে রোজ এই আসন অভ্যাস করলে ফুসফুসের জোর বাড়বে।
মৎস্যাসন
ম্যাটের উপর সোজা হয়ে শুতে হবে। তার পর হাতে ভর দিয়ে কাঁধ মাটি থেকে উপরে তুলতে হবে। দুই হাত থাকবে পাশে। কাঁধ, পিঠ তুলে রাখতে হবে। মাথা পিছনের দিকে হেলে থাকবে। এতে মাথায় চাপ অনুভব হবে। বুক ও কাঁধ টানটান থাকবে। ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে।
হলাসন
প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। পা দুটি একসঙ্গে জোড়া করে উপরে তুলুন। দুই হাত দিয়ে কোমর ধরে রাখুন। এ বার শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে দুই পা কোমর থেকে ভাঁজ করে পায়ের আঙুল দিয়ে মাথার পিছন দিকের মাটি স্পর্শ করান। এই ভঙ্গিতে শ্বাস-প্রশ্বাস অল্প অল্প করে নিন এবং ছাড়ুন। স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার সময় পা দু’টি টানটান করে উপরের দিকে রাখুন। হাত কোমর থেকে সরিয়ে নিতম্ব মাটিতে ছোঁয়ান। শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পা মাটিতে রাখুন। এই আসনটি দিনে ২ থেকে ৩ মিনিট করুন।