পত্রিকাই কাজে লাগতে পারে নানা ভাবে। জেনে নিন কৌশল। ছবি: সংগৃহীত।
পত্র-পত্রিকা জমতে জমতে ডাঁই হয়ে যায়। তার কিছু বিক্রি করে দেওয়া হয়, না হলে নষ্ট হয়। কিনন্তু পুরনো ম্যাগাজ়িনগুলিই কাজে লাগাতে পারেন নানা ভাবে। সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ফিরতে পারেন শৈশবে। কিছু সাংসারিক কাজেও সেগুলিকে লাগানো যায়।
১। কিছু ম্যাগাজিনের পাতা মোমের মতো মসৃণ, হয় চট করে জলে ভেজে না। এমন পাতা কেটে ড্রয়ারের নীচে বসিয়ে দিন। ড্রয়ার বা দেরাজে নানা রকম জিনিস রাখলে, তার নীচের অংশে ময়লা জমতে শুরু করে। কাগজ থাকলে, নীচটা নোংরা হবে না। মাঝে মধ্যে সেই কাগজ পাল্টে দিলেও হবে।
২। ম্যাগাজিনের সুন্দর ছবিযুক্ত পাতাগুলি দিয়ে সন্তানের খাতা বা বইয়ে মলাট দিয়ে দিতে পারেন। স্কুলের বইখাতায় মলাট এখন নির্দিষ্ট রঙেরই দিতে হয়। বাড়িতে যে গল্পের বই থাকে, সেইগুলিতে বা বাড়িতে ব্যবহারের খাতায় পুরনো ম্যাগাজিন দিয়ে মলাট দিতে পারেন।
৩। পত্রিকা দিয়ে তৈরি হোক ঘর সাজানোর সামগ্রী। ম্যাগাজিনের পাতা ছিঁড়ে লম্বালম্বি ভাবে পাকিয়ে নিন।
কাগজ পাকিয়ে কী ভাবে বানাবেন পেনদানি? ছবি:সংগৃহীত।
তা দিয়েই তৈরি করুন একটু বড় আকারের চরকি বাজির মতো আকৃতি। লম্বা করে পাকানো এই আকৃতি গুলি দাবার ছকের মতো সাজিয়ে আঠা দিয়ে আটকে দিন। তার পরে গোলাকার বা চরকির মতো আকৃতির চার ধারে গোল করে বেড় দিন। তৈরি হয়ে যাবে পেনদানি।
৪। ম্যাগাজিনের রকমারি ছবি কেটে-জুড়ে তৈরি হতে পারে কোলাজ। ছোট-বড়, যে কেউ-ই তা করতে পারেন। সন্তান বাড়িতে থাকলে, তাকেও উৎসাহ দিতে পারেন। বিভিন্ন রকম ছবি, রংচঙে অংশ কেটে নিন। খুদেকে বলুন আঠা দিয়ে কাগজে আটকে তার মনের মতো আকার দিতে। আবার তাকে কোনও কিছু এঁকে দিয়ে টুকরো কাগজ সেঁটে সেই অংশটি ভরাট করতেও বলতে পারেন।
৫। ম্যাগাজ়িন দিয়ে বানিয়ে ফেলুন বুকমার্ক। একটি পাতলা কার্ডবোর্ডে পছন্দের ছবি বা পছন্দের লেখা কেটে আঠা দিয়ে জুড়ে দিন।
বুক মার্ক বানানো যায় পুরনো ম্যাগাজিনের পাতা, ছবি কেটে জুড়েই। ছবি:এআই সহায়তায় প্রণীত।
সেটির উপরের অংশে ছোট্ট ছিদ্র করে শৌখিন ফিতে বেঁধে দিন। আবার রঙিন পাতা দিয়ে নৌকা বানিয়ে, সেই নৌকার নীচের অংশটি বইয়ের পাতার উপরের অংশের কোনায় টুপির মতো পরিয়ে দিতে পারেন। এটিও বুকমার্কের কাজ করবে।