পুরনো বালিশ দিয়ে কী ভাবে ঘর সাজাবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
বালিশ পুরনো হয়ে গিয়েছে? তুলো অসমান হয়ে গিয়েছে? বা ধুলো জমে জমে অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে? অবশ্যই বিছানায় ব্যবহারের যোগ্যতা খুইয়েছে সে বালিশ। কিন্তু তাকে বা়ড়ি থেকে বিদায় দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বেশির ভাগ সময়েই সেটিকে ফেলে দেন, তাই না? কিন্তু একটু ভেবে দেখুন, এই সাধারণ জিনিসটিকেও নতুন ভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। শুধু একটু কৌশল আর সৃজনশীলতা থাকলেই পুরনো বালিশ আবার কাজে লাগতে পারে। সেই সঙ্গে কমবে অপচয় এবং খরচও। কেবল ব্যবহারের ক্ষেত্রটি যাবে পাল্টে। ঘর সাজানোর জন্য নতুন জিনিস কেনার প্রয়োজন নেই। বরং নানা উপায়ে ওই বালিশগুলি আপনার উপকারে আসতে পারে। রইল তেমনই ৫টির সন্ধান—
১. বাইরের সজ্জা: বাড়ির উঠোন, ছাদ বা বারান্দায় রাখা চেয়ার বা পুরনো বেঞ্চের উপর এই বালিশগুলি রেখে দিন। যথাসম্ভব সমান করে নিতে হবে। এর উপরে রঙিন কাপড় বিছিয়ে দিন। প্রকৃতির মাঝে অপূর্ব এক বসার বন্দোবস্ত হতে পারে এ ভাবেই।
পুরনো বালিশ দিয়ে ঘর সাজান। ছবি: সংগৃহীত
২. অতিরিক্ত বসার ব্যবস্থা: পুরনো বালিশকে সহজেই নতুন কুশন বা বসার প্যাডে বদলে ফেলা যায়। মেঝেতে বসার জন্য এগুলি দারুণ কাজে লাগে। পড়ার কোণ বা আরাম করে বসার জায়গা তৈরি করতে চাইলে পুরনো বালিশ দিয়ে নরম ফ্লোর কুশন বানানো যায়। এতে আলাদা করে নতুন কিছু কেনার প্রয়োজনও পড়ে না, আর ঘরও দেখতে সুন্দর লাগে। শুধু একটি নতুন কভার দিলেই সেটি আবার ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠে। এতে ঘরে বসার জায়গা বাড়ে।
৩. তুলোর পুনর্ব্যবহার: বালিশের ভিতরের তুলো বা ফাইবারও কাজে লাগে। এগুলি দিয়ে পুরনো খেলনা, কুশন বা নরম জিনিসপত্র আবার ভরে নেওয়া যায়। ফলে পুরনো জিনিস নতুনের মতো হয়ে ওঠে।
৪. পোষ্যের বিছানা: যাঁদের বাড়িতে পোষ্য আছে, তাঁদের জন্য পুরনো বালিশ খুবই উপকারী। সহজেই এটি দিয়ে পোষ্যের বিছানা বানানো যায়।
পুরনো বালিশ ব্যবহার করুন অন্য ভাবে। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
৫. বালিশের দুর্গ: বা়ড়িতে শিশু আছে? তা হলে এই বালিশগুলিই তাদের দুর্গের ইট-কাঠ-পাথর হয়ে উঠতে পারে। পুরনো কম্বল ও বালিশ দিয়ে ঘরের একটি কোনায় এমনই দুর্গ বানিয়ে দিতে পারেন। ঝুলন্ত টুনিবাল্ব দিয়েও সাজাতে পারেন দুর্গটি। এতে শিশুরা খুবই আনন্দ পাবে।