ফলে অনীহা থাকলে চাট বানিয়ে খেয়ে দেখুন। ছবি: সংগৃহীত।
গরম মানেই শরীর চাইবে বেশি জল। জলীয় পদার্থ যেমন খেতে হবে বার বার, তেমনই খাবারে রাখতে হবে জলের আধিক্য। তবেই শরীর ঠান্ডা থাকবে। গরমের মরসুমে শরীর সুস্থ রাখার একমাত্র দাওয়াই হল জল। এ সময়ে ভাজাভুজি, তেল-মশলাদার খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভাল। সঙ্গে স্বাস্থ্যরক্ষা করতে খেতে হবে বেশি করে ফল। শুধু ফল খেলেই হবে না, একটু বুদ্ধি খরচ করে এমন ফল খেতে হবে, যাতে শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টিগুণের সঙ্গে জলও যেতে পারে। বসন্তকালে ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে এবং শরীরে জলের মাত্রা ঠিক রাখতে নিয়মিত ডায়েটে ফল রাখতেই হবে। তবে বাড়ির ছোটরা তো বটেই, অনেক প্রাপ্তবয়স্কও ফল খেতে চান না। সে ক্ষেত্রে ফলের রকমারি চাট বানিয়ে দেখতে পারেন। সুস্বাদু, টক-ঝাল-মিষ্টি ফ্রুট চাট চেটেপুটে খাবেন সকলেই।
মিক্সড ফ্রুট চাট: একটি পাত্রে টুকরো করে কাটা কলা,আপেল, নাশপাতি, মুসাম্বি, স্ট্রবেরি নিয়ে তার সঙ্গে একে একে মিশিয়ে নিন গোলমরিচের গুঁড়ো, চাটমশলা, ভাজা জিরের গুঁড়ো, বিটনুন, পুদিনাপাতা। সবশেষে সামান্য লেবুর রস দিয়ে খুব ভাল করে মেখে নিন। ছোট ছোট পাত্রে সাজিয়ে পরিবেশন করুন এই চাট।
আনারসের চাট: আনারসগুলি ছোট টুকরো করে কেটে নিন। একটি বাটিতে আনারসগুলি নিয়ে তার সঙ্গে মিশিয়ে দিন পুদিনাপাতা বাটা, বিটনুন, চিনি, লঙ্কার গুঁড়ো আর চিলি ফ্লেক্স। খুব ভাল করে মেখে নিন। বানিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করুন ঝাল ঝাল আনারসের চাট।
দই-ফ্রুট চাট: একটি বড় পাত্রে বেশ খানিকটা টক দই, ভাজা জিরের গুঁড়ো, গোলমরিচের গুঁড়ো, চাটমশলা, নুন, চিনি আর সামান্য জল দিয়ে খুব ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এ বার দইয়ে মিশিয়ে দিন টুকরো করে কাটা আপেল, আঙুর, আনারস। তার পর বেদানা আর পুদিনাপাতার কুচি দিয়ে আর এক বার ভাল করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি আধঘণ্টা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন দই ফ্রুট চাট।