IPL 2026

গ্রিন করিডর করে এনগিডিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে, জানা গেল কেমন আছেন দিল্লির পেসার

পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে একটি ক্যাচ ধরতে গিয়ে মাথার পিছনে গুরুতর চোট পেয়েছেন লুঙ্গি এনগিডি। মাঠ থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় দিল্লি ক্যাপিটালসের পেসারকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৩৭
cricket

লুঙ্গি এনগিডির চোট পাওয়ার সেই মুহূর্ত। ছবি: পিটিআই।

খেলা চলাকালীন ক্যাচ ধরতে গিয়ে মাথার পিছনে গুরুতর চোট পেয়েছেন লুঙ্গি এনগিডি। পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ফিল্ডিং করার সময় ঘটে এই দুর্ঘটনা। মাঠ থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় দিল্লি ক্যাপিটালসের পেসারকে। আপাতত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে তিনি।

Advertisement

চোট পাওয়ার পর মাঠেই বেশ কিছু ক্ষণ শুয়েছিলেন এনগিডি। তাঁর চিকিৎসা চলছিল। হঠাৎ দেখা যায়, ম্যাক্স হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুল্যান্স মাঠে ঢুকছে। সেখানে ঢোকানো হয় এনগিডিকে। তার পর গ্রিন করিডর করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রিন করিডর থাকায় মাত্র ১১ মিনিটে অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম থেকে রাজেন্দ্র নগরের ম্যাক্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় ক্রিকেটারকে।

‘ইন্ডিয়া টুডে’ জানিয়েছে, চোট লাগার পর ঘাড়ে ও মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছিল এনগিডির। হাসপাতালে তাঁর চোটের স্ক্যান হয়েছে। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন এনগিডি। আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। ভয়ের কিছু নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তাঁকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে পর্যবেক্ষণের জন্য শনিবার রাতটা তাঁকে হাসপাতালে কাটাতে হতে পারে।

ঠিক কী হয়েছিল এনগিডির?  

ঘটনাটি ঘটে তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে। অক্ষর পটেলের বল প্রিয়াংশ আর্য তুলে মেরেছিলেন। পিছনের দিকে ছুটতে ছুটতে ক্যাচ ধরতে যান এনগিডি। ক্যাচ ধরতে পারেননি। তবে খারাপ ভাবে মাটিতে পড়েন। তাঁর মাথা মাটিতে সজোরে ধাক্কা খায়। সঙ্গে সঙ্গে মাথা চেপে ধরে মাটিতে শুয়ে পড়েন তিনি।

পরিস্থিতি বুঝে মাঠেই চিকিৎসকদের ডেকে নেওয়া হয়। দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছিল, এনগিডি অচৈতন্য হয়ে গিয়েছেন। মাঝে এক বার তাঁকে চোখ খুলতে দেখা গেলেও পর ক্ষণেই তা বন্ধ করে দেন। পরে চিকিৎসায় সাড়া দিতে দেখা যায় তাঁকে। তখনই বোঝা গিয়েছিল এই ম্যাচ তাঁর খেলা সম্ভব নয়। কিন্তু চোট কতটা গুরুতর সেটা বোঝা যাচ্ছিল না।

এর পর মাঠে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ঢুকতে দেখা যায়। এনগিডিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য আনা হয় একটি স্ট্রেচার। তবে সঙ্গে সঙ্গে তোলা যায়নি। এনগিডির শরীর শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কোনও মতে তাঁকে স্ট্রেচারে করে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলা হয়। সেই সময় এনগিডিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর প্রোটিয়া সতীর্থ ট্রিস্টান স্টাবস, ডেভিড মিলারেরা। পঞ্জাবের কোচ রিকি পন্টিংকেও গম্ভীর মুখে মাঠে ঢুকতে দেখা যায়। এক সময় পঞ্জাবের দুই ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য ও প্রভসিমরন সিংহ মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে থাকেন। তবে খেলা বন্ধ করার কোনও ঘোষণা হয়নি। এনগিডিকে নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই খেলা আবার শুরু হয়। এই ঘটনায় প্রায় ১৫ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে।

Advertisement
আরও পড়ুন