গুজরাত টাইটান্সের ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস। ছবি: রয়টার্স।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিল গুজরাত টাইটান্স। প্রথমে ব্যাট করে শুভমন গিলের দল করে ৫ উইকেটে ১৬৮। জবাবে প্যাট কামিন্সের দলের ইনিংস শেষ হল ১৪.৫ ওভারে ৮৬ রানে। ৩১ বল বাকি থাকতে ৮২ রানের এই জয়ের সুবাদে ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে এল গুজরাত। ১২ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানেই থাকল হায়দরাবাদ।
জয়ের জন্য ১৬৯ রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ভরাডুবি হল হায়দরাবাদের। একজনও ২২ গজে দাঁড়াতে পারলেন না। মহম্মদ সিরাজ, কাগিসো রাবাডাদের সামনে ইনিংসের প্রথম থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাল কামিন্সের দল। বলার মতো রান করতে পারলেন না কেউই। আইপিএলের অন্যতম শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে অহমদাবাদের ২২ গজে ক্লাব স্তরের থেকেও খারাপ দেখাল।
শুরুতেই আউট হয়ে যান ট্র্যাভিস হেড (০)। তার পর একে একে ফিরে যান অভিষেক শর্মা (৬), ঈশান কিশন (১১), রবিচন্দ্রন স্মরণ (৯), হাইনরিখ ক্লাসেন (১৪), সলিল অরোরা (১৬), নীতীশ রেড্ডিরা (২)। গুজরাতের বোলিং আক্রমণের সামনে যেন কাঁপুনি ধরে গেল হায়দরাবাদের ব্যাটারদের! এক রকম আত্মসমর্পণ করলেন সকলে। ৬০ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর হায়দরাবাদের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। শেষ দিকে কামিন্স (৯ বলে ১৯) একটা চেষ্টা করেছিলেন বটে। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। সঙ্গেও কাউকে পাননি হায়দরাবাদ অধিনায়ক।
গুজরাতের বোলারদের মধ্যে রাবাডা ২৮ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। ২০ রানে ৩ উইকেট জেসন হোল্ডারের। ১১ রানে ১ উইকেট সিরাজের। ২৩ রান দিয়ে ১ উইকেট নিলেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। এ ছাড়া ৩ রানে ১ উইকেট রশিদ খানের।
এর আগে টস জিতে কামিন্স ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি গুজরাতের ব্যাটারেরা। শুভমন (৫) এবং জস বাটলার (৭) রান না পেলেও দলকে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছে দেন সাই সুদর্শন, ওয়াশিংটন সুন্দরেরা। ওপেন করতে নেমে সুদর্শন করেন ৪৪ বলে ৬১। ৫টি চার এবং ২টি ছয় মারেন। নিশান্ত সিধু করেন ১৪ বলে ২২। ৩টি চার এবং ১টি ছয় মারেন তিনি। ওয়াশিংটনের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ বলে ৫০ রানের আগ্রাসী ইনিংস। ৭টি চার এবং ১টি ছক্কা মারেন ভারতীয় দলের অলরাউন্ডার। শেষে হোল্ডার (১১) এবং রাহুল তেওয়াটিয়া (৪) অপরাজিত থাকেন।
হায়দরাবাদের বোলারদের মধ্যে সফলতম প্রফুল হিঙ্গে। ১৭ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। ৩৭ রানে ২ উইকেট সাকিব হুসেনের। ২০ রানে ১ উইকেট কামিন্সের।