Firing in Boston

আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের তাণ্ডব! বস্টনের রাস্তায় একের পর এক গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি, জখম দুই

৪৬ বছর বয়সি ওই বন্দুকবাজকে ইতিমধ্যে শনাক্ত করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম টেলর ব্রাউন। তিনি বস্টনেরই বাসিন্দা। ধৃতের শরীরে একাধিক জায়গায় গুলির আঘাত রয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ২৩:০৩

— প্রতীকী চিত্র।

আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের তাণ্ডব। এ বার বস্টনের রাস্তায় এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক বন্দুকবাজ। পথচলতি গাড়িগুলিকে লক্ষ্য করে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে গুলি করতে থাকেন তিনি। ঘটনায় অন্তত দু’জন জখম হয়েছেন। পরে পুলিশের গুলিতে জখম হন বন্দুকবাজও। তাঁকে ইতিমধ্যে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

৪৬ বছর বয়সি ওই বন্দুকবাজকে ইতিমধ্যে শনাক্ত করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম টেলর ব্রাউন। তিনি বস্টনেরই বাসিন্দা। ধৃতের শরীরে একাধিক জায়গায় গুলির আঘাত রয়েছে। ম্যাসাচুসেট্‌সের বস্টনে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গাড়িচালকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অন্তত এক ডজন গাড়ি বন্দুকবাজের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাড়ির কাঁচ ভেঙে গুলি ঢুকে যায় ভিতরে। এর মধ্যে পুলিশের একটি টহলদারি গাড়িও ছিল। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে আতঙ্কে চালকেরা গাড়ি রাস্তায় ফেলেই পালিয়ে যান। কেউ কেউ আত্মরক্ষার জন্য গাড়ির নীচে লুকিয়ে পড়েন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ওই হামলার সময়ে ব্রাউন ৬০ রাউন্ডেরও বেশি গুলি চালিয়েছেন।

ধৃতের বিরুদ্ধে খুনের উদ্দেশ্যে হামলার অভিযোগ এবং আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত অভিযোগ মামলা রুজু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যারিয়ান রায়ান বলেন, “এই ঘটনাকে কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি আরও জানান, যাঁদের উপর হামলা করা হয়েছিল তাঁদের সঙ্গে ব্রাউনের কোনও যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। ফলে কী কারণে এই হামলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধৃত বন্দুকবাজ বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কেমব্রিজ ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত বর্তমানে শারীরিক ভাবে আদালতে হাজির হওয়ার মতো অবস্থায় নেই।

গত মাসেও আমেরিকার লুইজ়িয়ানা প্রদেশের শ্রিভপোর্ট শহরে বন্দুকবাজের গুলিতে আট শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। তার কয়েক দিন পরেই লুইজ়িয়ানাতেই একটি শপিং মলে বন্দুকবাজের হামলা হয়। অতর্কিত ওই হামলায় ১০ জন জখম হয়েছিলেন। এ বার ফের আমেরিকার রাস্তায় বন্দুকবাজের তাণ্ডবে জখম হলেন দু’জন।

Advertisement
আরও পড়ুন