India vs New Zealand T20 Match

প্রত্যাবর্তনে নজর কেড়েও মন খারাপ রিঙ্কুর, আফসোস কিছুতেই কমছে না ভারতীয় ব্যাটারের

নাগপুরে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২০ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন রিঙ্কু সিংহ। তার পরেও খুশি নন ভারতীয় ব্যাটার। মন খারাপ কমছে না তাঁর।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ০১:৫২
নাগপুরে রিঙ্কু সিংহের ক্যাচ ফেলার সেই মুহূর্ত।

নাগপুরে রিঙ্কু সিংহের ক্যাচ ফেলার সেই মুহূর্ত। ছবি: পিটিআই।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ভারতের হয়ে মাঠে নামার সুযোগ পেয়ে তা কাছে লাগিয়েছেন রিঙ্কু সিংহ। নাগপুরে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে করেছেন ২০ বলে অপরাজিত ৪৪ রান। তাঁর ব্যাটেই ২৩৮ রানে পৌঁছেছে ভারত। দলকে জেতাতে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও মন খারাপ রিঙ্কুর। আফসোস কিছুতেই কমছে না তাঁর।

Advertisement

ফিল্ডিংয়ের সময় বাউন্ডারিতে ঝাঁপিয়ে বেশ কয়েটি চার বাঁচিয়েছেন তিনি। এক বার লাফিয়ে আটকেছেন নিশ্চিত ছক্কা। কিন্তু তার মাঝেই একটি ক্যাচও ফেলেছেন রিঙ্কু। সেই কাঁটাই খচখচ করছে তাঁর মনে। খেলা শেষে রিঙ্কু বললেন, “শিশিরের জন্য কোনও সমস্যা হয়নি। আলোর জন্যও সে রকম সমস্যা হচ্ছিল না। তার পরেও ক্যাচটা ধরতে পারলাম না। খুব খারাপ লাগছে। আফসোস হচ্ছে।” রিঙ্কুর হাত থেকে ক্যাচ খুব একট পড়তে দেখা যায় না। ভরতীয় দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার তিনি। সেই কারণেই হয়তো এতটা আফসোস হচ্ছে তাঁর।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ়ে দলে জায়গা পাননি রিঙ্কু। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাওয়ায় নিউ জ়িল্যান্ড সিরিজ়ে খেলছেন তিনি। নাগপুরে দেখিয়ে দিয়েছেন তাঁর দলে থাকাটা কতটা জরুরি। ইনিংসের শেষ ওভারে করেছেন ২১ রান। রিঙ্কু বললেন, “ধারাবাহিক ভাবে সুযোগ পাচ্ছিলাম না। কিন্তু নিজেকে তৈরি রেখেছিলাম। জানতাম, যে দিন সুযোগ আসবে কাজে লাগাতে হবে। এই ম্যাচে সেটাই করেছি। শুরুতে দৌড়ে রান নিয়ে পরের দিকে হাত খুলেছি।”

কোচ গৌতম গম্ভীর তাঁর উপর ভরসা করেন। সেই ভরসার দাম দিয়েছেন রিঙ্কু। খেলা শেষে রিঙ্কুর মুখে কোচের কথা। তিনি বললেন, “গৌতি ভাই আমাদের চালিয়ে খেলতে বলে। সেটাই করার চেষ্টা করেছি। বিশ্বকাপে সুযোগ পেলে এ ভাবেই খেলব।”

নাগপুরে ভারতের রান তোলার গতি ভাল থাকলেও, নিয়মিত উইকেট পড়ছিল। শেষ দু’ওভারে অর্শদীপ সিংহের সঙ্গে খেলতে হয়েছিল রিঙ্কুকে। সে সময় কী পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি? রিঙ্কু বললেন, “অর্শদীপ পাজিকে বলছিলাম, সিঙ্গল নিয়ে আমাকে স্ট্রাইক দিতে। অবশ্য সব সময় সেটা হচ্ছিল না। তবে ঠিক করেছিলাম, শেষ ওভার আমিই খেলব। এই দলে আমার এটাই ভূমিকা। পাঁচ, ছয় বা সাত নম্বরে নামার সুযোগ পাব। তাই চালিয়ে খেলতে হবে। সেটাই করেছি।”

ভারতের বিশ্বকাপের দলে রিঙ্কু কতটা জরুরি, তা এই ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ভরসা দিয়েছেন কোচ গম্ভীরকে। এই ভরসার ফল হয়তো পাবেন রিঙ্কু। বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম একাদশে নিজের জায়গা প্রায় পাকা করে ফেললেন বাঁহাতি ব্যাটার।

Advertisement
আরও পড়ুন