ঋষভ পন্থ। ছবি: পিটিআই।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ১৪৬ রান তুলল লখনউ সুপার জায়ান্টস। সঞ্জীব গোয়েন্কার দলের উদ্বেগ বাড়ান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। জস হেজ়লউডের বল কনুইয়ে লাগার পর ফিজিয়োকে মাঠে ডাকেন পন্থ। শুশ্রূষা নিয়েও স্বস্তি বোধ না করায় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন লখনউ অধিনায়ক। যদিও পরে আবার ব্যাট করতে নামেন পন্থ।
এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ২২ গজে প্রত্যাশা মতো ব্যাট করতে পারল না লখনউ। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারানোয় প্রয়োজনীয় জুটি তৈরি করতে পারেননি লখনউয়ের ব্যাটারেরা। ওপেনার এডেন মার্করাম (১২) আউট হওয়ার পর পন্থ মাত্র ৩ বল খেলে মাঠ ছাড়েন। কোনও রান করেননি তিনি। চাপ বাড়িয়ে দেন চার নম্বরে নামা নিকোলাস পুরান (০)। ৩৫ রানের মধ্যে তিন ব্যাটার মাঠ ছাড়ার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ওপেনার মিচেল মার্শ এবং পাঁচ নম্বরে নামা আয়ুষ বাদোনি। তাঁদের জুটিতে ওঠে ৩৬ রান। ৩২ বলে ৪০ রান করে আউট হন মার্শ। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৩টি চার এবং ২টি ছয়। বাদোনি করেন ২৪ বলে ৩৮। ৪টি চার এবং ১টি ছয় মেরেছেন তিনি।
মার্শ-বাদোনি জুটির পরও লখনউয়ের ইনিংস জমাট বাঁধল না। ব্যর্থ বলেন আব্দুল সামাদ (০)। তিনি আউট হওয়ার পর আবার ব্যাট করতে নামেন পন্থ। শেষ পর্যন্ত তিনি করলেন ৬ বলে ১। শেষ দিকে ব্যাট হাতে কিছুটা লড়াই করলেন মুকুল চৌধরি। তিনি করলেন ২৮ বলে ৩৯। ৩টি চার এবং ২টি ছক্কা মারলেন। ভরসা দিতে পারলেন না জর্জ লিন্ডেও (৭), মহম্মদ শামিরা (০)।
বেঙ্গালুরুর সফলতম বোলার রাসিখ সালাম। ২৪ রানে ৪ উইকেট নিলেন তিনি। ৩৮ বলে ২ উইকেট ক্রুণাল পাণ্ড্যের। ২০ রানে ১ উইকেট হেজ়লউডের। ভাল বল করলেন ভুবনেশ্বর কুমারও। লিন্ডে এবং শামিকে পর পর দু’বলে আউট করেন তিনি। সব মিলিয়ে ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি।