সতীর্থদের সঙ্গে উল্লাস প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের। ছবি: পিটিআই।
এ বারের আইপিএলে ২০০ রান জলভাতে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতি ম্যাচেই ২০০-র উপর রান হচ্ছে। কিন্তু রবিবার দুপুরে লখনউ সুপার জায়ান্টস বনাম গুজরাত টাইটান্স ম্যাচে সেটা দেখা গেল না। লখনউয়ের মাঠে ভাল বল করলেন গুজরাতের বোলারেরা। বিশেষ করে নজর কাড়লেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৪ উইকেট নিলেন তিনি। ফলে বড় রান করতে পারলেন না ঋষভ পন্থেরা। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান করল লখনউ।
ব্যাট করতে নেমে প্রথম বল থেকেই হাত খুলে মারতে থাকেন মিচেল মার্শ। কিন্তু মাত্র চার বল টেকেন তিনি। ১১ রান করে কাগিসো রাবাডার বলে আউট হন। এডেন মার্করাম ও ঋষভ পন্থ জুটি বাঁধেন। রান তোলার গতি ভালই ছিল। প্রতি ওভারে ১০ রানের বেশি উঠছিল। কিন্তু পাওয়ার প্লে-র মধ্যে আরও একটি উইকেট হারায় লখনউ। ১৮ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে আউট হন পন্থ।
মাঝের ওভারে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে লখনউয়ের। নেপথ্যে প্রসিদ্ধ। এ বারের আইপিএলে তাঁকে শুরুতে ব্যবহার না করে মাঝের ওভারে ব্যবহার করছেন শুভমন গিল। সেই পরিকল্পনা কাজে লেগেছে। ৩০ রানের মাথায় প্রসিদ্ধের বলে আউট হন মার্করাম। আয়ুষ বাদোনি ও নিকোলাস পুরানকেও ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পর পর উইকেট পড়ায় লখনউয়ের রান তোলার গতি কমে।
গত ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে হেরে যাওয়া ম্যাচ একার কাঁধে জিতিয়েছেন মুকুল চৌধরি। ফলে এই ম্যাচে তাঁর উপর প্রত্যাশা বেড়ে গিয়েছিল। শুরুটা খারাপ করেননি মুকুল। একটি চার ও একটি ছক্কা মারেন। কিন্তু প্রসিদ্ধের বাউন্সার সামলাতে পারেননি। ১৮ রান করে আউট হন। শেষ দিকে মহম্মদ শামি ও আবেশ খানের ব্যাটে ১৬০ রান পার করে লখনউ।
প্রসিদ্ধ চার ওভারে ২৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। বেগনি টুপির মালিক হলেন তিনি। অশোক শর্মা ৩২ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। সিরাজ ১ উইকেট নিলেও চার ওভারে দেন মাত্র ১৯ রান। ভারতীয় পেসারদের ভাল বল করার দিনে রান দিয়েছেন রাবাডা। চার ওভারে ৫৪ রান দিয়েছেন তিনি।