রবিচন্দ্রন অশ্বিন। —ফাইল চিত্র।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য ৩০-৩৫ জন ক্রিকেটারকে তৈরি রাখতে চাইছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ঠাসা সূচিতে একসঙ্গে বা গায়ে গায়ে দু’টি প্রতিযোগিতা পড়ে গেলে দু’জায়গায় দু’টি দলকে পাঠানো হতে পারে। বিসিসিআইয়ের দু’টি জাতীয় দলের ভাবনায় ক্ষুব্ধ রবিচন্দ্রন অশ্বিন।
আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ়। পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলবে ভারত। একই সময় হবে এশিয়ান গেমস। সেখানেও ক্রিকেট রয়েছে। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় সিরিজ় ও এশিয়ান গেমসে দু’টি পৃথক ভারতীয় দলকে খেলতে দেখা যেতে পারে। একটির নেতৃত্বে থাকতে পারেন সূর্যকুমার যাদব। অন্যটির শ্রেয়স আয়ার। বোর্ডের এই পরিকল্পনা মানতে পারছেন না প্রাক্তন অফস্পিনার।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেছেন, ‘‘ভারতীয় দলের টুপির কী মূল্য থাকল? টুপির আর কী সম্মান থাকবে? ভারতীয় দলের টুপি পরার জন্য একটা গর্বের মুহূর্ত প্রয়োজন। ক্রিকেটারেরা অসংখ্য মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে। গোটা দেশের মানুষ ভারতীয় ক্রিকেট দলের খেলা দেখে।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘একাধিক দল তৈরি করা হলে অনেকেই আন্তর্জাতিক অভিষেকের সুযোগ পাবে। কোনও একটা দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়ে যাবে। মানুষ আর বিষয়টাকে গুরুত্ব দেবে না। ভারতীয় দলের টুপির গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা উচিত। বেশি সংখ্যক ক্রিকেটারকে সুযোগ দিতে হবে ‘এ’ দলের খেলার ব্যবস্থা করা হোক। বিনামূল্যে ভারতীয় দলের টুপি বিতরণ করা যায় না। এটা অর্জন করার জিনিস।’’
২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসের সময়ও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সে বার ঘরের মাঠে এক দিনের বিশ্বকাপ ছিল। বিসিসিআই রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে ‘এ’ দল পাঠিয়ে ছিল এশিয়ান গেমসে। সেই দলে রিঙ্কু সিংহ, যশস্বী জয়সওয়াল, তিলক বর্মা, ওয়াশিংটন সুন্দরদের মতো উঠতি ক্রিকেটারেরা ছিল। ব্যস্ত সূচি সামাল দিতে তেমন ব্যবস্থাই চান অশ্বিন। ভারতীয় দলের দরজা হাট করে খুলে দেওয়ার পক্ষে নন তিনি।