রজত পাটীদার। ছবি: পিটিআই।
প্রথম কোয়ালিফায়ারের মতো চাপের ম্যাচে ৩৩ বলে ৯৩ রানের ইনিংস। একটিও ডট বল নেই। মেরেছেন ৯টি ছয়। এমন ইনিংস খেলার পরেও কৃতিত্ব নিজের কাঁধে নিতে চাইলেন না বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাটীদার। জানালেন, এ রকম ইনিংস খেলার কোনও পরিকল্পনাই ছিল না তাঁর। কী ভাবে গুজরাতকে চাপে ফেললেন, সেই রহস্যও খোলসা করেছেন পাটীদার।
আইপিএলের নকআউট ম্যাচে অতীতে শতরান করেছেন পাটীদার। মঙ্গলবার অল্পের জন্য তিন অঙ্কের রান করতে পারেননি। তবে যা করেছেন তা দলকে ফাইনালে তোলার জন্য যথেষ্ট ছিল। পাটীদার বলেছেন, “দুর্দান্ত একটা ম্যাচ খেললাম। সব ব্যাটারই সাহসী শট খেলে বিপক্ষকে শাসন করেছে। স্পষ্ট কোনও পরিকল্পনা নিয়ে খেলতে নামিনি। তবে শরীরীভাষায় ওদের বোঝানোর দরকার ছিল যে, আমরা তৈরি। প্রত্যেক ব্যাটার আগ্রাসী মানসিকতা নিয়ে ব্যাট করেছে।”
মঙ্গলবার একটু ধীরগতিতে শুরু করলেও ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরোন পাটীদার। এমন পরিকল্পনার কারণ কী? পাটীদারের কথায়, “সাধারণত পিচ বোঝার জন্য আমি ৮-১০ বল সময় নিই। তার পরে স্বচ্ছ মানসিকতা নিয়ে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলি। নিজের উইকেটের পরোয়া করি না। আমি সব সময় বোলারদের চাপে ফেলতে চাই। ওই পিচে বড় শট খেলা অতটাও সোজা ছিল না। বাউন্সে বৈচিত্র ছিল। এত দিন ধরে গুজরাত যেমন খেলে এসেছে তাতে এটা বুঝেছিলাম ওদের প্রথম তিন ব্যাটারকে আগে আউট করতে হবে। সেটাই করেছি।”
আইপিএলে ষষ্ঠ দল হিসাবে পর পর দু’বার ফাইনালে উঠেছে বেঙ্গালুরু। সব মিলিয়ে তারা পঞ্চম বার ফাইনাল খেলতে চলেছে।