শতরানের পর শুভম পুন্ডির। ছবি: পিটিআই।
প্রথম বার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে উঠেই দাপট দেখাচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর। শক্তিশালী কর্নাটকের বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠেই প্রথম দিনের খেলার শেষে ভাল জায়গায় পরশ ডোগরার দল। দিনের শেষে জম্মু-কাশ্মীরের রান ২ উইকেটে ২৮৪। ব্যাট করার সময় চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হল পরশকে।
রঞ্জি ট্রফির নট আউট পর্বে মধ্যপ্রদেশ, বাংলার মতো দলকে হারানো যে অঘটন ছিল না, তা ফাইনালের প্রথম দিনই প্রমাণ করে দিলেন জম্মু-কাশ্মীরের ক্রিকেটারেরা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন পরশ। তাঁর সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, তা প্রমাণ করে দিলেন জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাটারেরা। ওপেনার কামরান ইকবাল (৬) রান না পেলেও সমস্যা হয়নি। ঝুঁকিহীন ব্যাটিং করার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। অন্য ওপেনার ইয়াওয়ার হাসান করলেন ৮৮ রান। তিন নম্বরে নামা শুভম পুন্ডিরের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে যোগ করলেন ১৪৯ রান। তাঁদের জুটিই জম্মু-কাশ্মীরের ইনিংসকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে দেয়। ১৫০ বলের ইনিংসে হাসান ১৩টি চার মারেন। তিনি নিশ্চিত শতরান হাতছাড়া করলেও দিনের শেষে ১১৭ রানে করে অপরাজিত রয়েছেন পুন্ডির। শিখর শেট্টিকে ডিপ মিড উইকেটে ছয় মেরে শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ২২১ বলের ইনিংসে ২৭ বছরের বাঁহাতি ব্যাটার মেরেছেন ১২টি চার এবং ২টি ছয়।
চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেন ডোগরা। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বাউন্সারে গলায় চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার আগে তিনি করেন ৯ রান। চোট গুরুতর না হলে আবার ব্যাট করতে নামতে পারেন জম্মু-কাশ্মীরের অধিনায়ক। দিনের শেষে পুন্ডিরের সঙ্গে অপরাজিত রয়েছেন আব্দুল সামাদ। তিনি ৫টি চার এবং ১টি ছয়ের সাহায্যে করেছেন ৫২। তাঁদের অসমাপ্ত জুটিতে এ দিন উঠেছে ১০৫ রান।
কর্নাটকের কোনও বোলারই হুবালির ২২ গজে জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলতে পারেননি। ৩৬ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন ভারতীয় টেস্ট দলের সদস্য প্রসিদ্ধ। উইকেট না পেলেও ভাল বল করেছেন বিজয়কুমার বৈশাখ। দেবদত্ত পাড়িক্কলের দলের অন্য বোলারদের বেশ সাধারণই দেখিয়েছে।