IPL 2026

পচা শামুকে পা কাটল পঞ্জাবের! টানা পাঁচ ম্যাচে হেরে শ্রেয়সদের প্লে-অফে ওঠার রাস্তা আরও কঠিন হল, তিলকের ব্যাট জেতাল মুম্বইকে

আইপিএলের প্লে-অফের দৌড় থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। প্রথম চারে শেষ করার আর কোনও সম্ভাবনাই নেই তাদের। সেই দলের কাছেই হেরে গেল পঞ্জাব কিংস।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ২৩:২৮
cricket

তিলকের ব্যাটে জিতল মুম্বই। ছবি: পিটিআই।

আইপিএলের প্লে-অফের দৌড় থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। প্রথম চারে শেষ করার আর কোনও সম্ভাবনাই নেই তাদের। সেই দলের কাছেই হেরে গেল পঞ্জাব কিংস। টানা পাঁচটি ম্যাচে হারতে হল তাদের। শ্রেয়স আয়ারের দল আটকে থাকল ১২ ম্যাচে ১৩ পয়েন্টেই। অন্য দিকে, ১২ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট হল মুম্বইয়ের। তারা থাকল নম্ব স্থানেই।

Advertisement

ছয় মেরে দলকে জেতানোর পর তিলক বর্মা যে লাফটা দিলেন সেটাই বলে দেয় অনেক কিছু। ২০১ রান তাড়া করতে নেমে এক সময় মুম্বই হারের সামনে ছিল। সেখান থেকে একার হাতে ম্যাচ বার করে দিলেন তিলক। মাত্র ৩৩ বলে অপরাজিত রইলেন ৭৫ রানে। প্রথমে ব্যাট করে ২০০/৮ তুলেছিল পঞ্জাব। জবাবে মুম্বই সেই রান তুলে নিল ৬ উইকেট বাকি থাকতেই।

টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমেছিল পঞ্জাব। শুরুটা খারাপ হয়নি। দুই ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য এবং প্রভসিমরন সিংহ চালিয়ে খেলতে শুরু করেছিলেন। পঞ্চম ওভারে শার্দূল ঠাকুরকে টানা তিনটি চার মারেন প্রভসিমরন। কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে দীপক চহারকে তুলে মারতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান প্রিয়াংশ। পঞ্জাবের তরুণ ওপেনারকে আউট করার পর হাত ঘুরিয়ে বিশেষ কায়দায় উচ্ছ্বাস করতে দেখা যায় চহারকে। তার আগের বলেই চহার চার হজম করেছিলেন।

তিনে নেমে কুপার কনোলিও বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি। ধর্মশালার পিচে খেলতে দুই ব্যাটারেরই বেশ কষ্ট হচ্ছিল। কনোলির ব্যাটে-বলে হচ্ছিলই না। কোনও মতে ২২ বলে ২১ করে ফিরে যান তিনি। এর পরেই পঞ্জাবের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। পরের ৩৩ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারায় তারা। শ্রেয়স আয়ার (৪) ব্যর্থ। রান পাননি সূর্যাংশ শেড়গে (৮), শশাঙ্ক সিংহও (২)। আউট হয়ে যান প্রভসিমরনও (৩২ বলে ৫৭)।

চাপের মুখে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন আজমাতুল্লা ওমরজ়াই, যিনি এ দিনই প্রথম একাদশে ঢুকেছিলেন। ১৪০ রানে ৭ উইকেট হারানো পঞ্জাব ঘুরে দাঁড়ায় তাঁর ব্যাটিংয়ে। দু’টি চার এবং চারটি ছয়ের সাহায্যে ১৭ বলে ৩৮ করেন তিনি। চালিয়ে খেলেছেন বিষ্ণু বিনোদ (অপরাজিত ১৫) এবং জ়েভিয়ার বার্টলেটও (অপরাজিত ১৮)।

রান তাড়া করতে নেমে মুম্বইও শুরুটা খারাপ করেনি। তবে পঞ্জাবের মতো তাদের রানের গতিও কম ছিল। রায়ান রিকেলটন আগ্রাসী খেললেও রোহিত শর্মা বড় শট খেলতে পারছিলেন না। খুচরো রানেই ভরসা করতে হচ্ছিল। ষষ্ঠ ওভারে বার্টলেটকে দু’টি ছয় মেরে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন।

পরের ওভারে রিকেলটনকে (২৩ বলে ৪৮) ফেরান ওমরজ়াই। কিছু ক্ষণ পর ফিরে যান রোহিতও (২৫)। রান পাননি নমন ধীর (৯)। মুম্বই ৮৮ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর লড়াই শুরু করেন তিলক বর্মা এবং শেরফানে রাদারফোর্ড।

প্রথম রাদারফোর্ডের সঙ্গে ৬১ রানের জুটি গড়েন তিনি। অবশ্য রাদারফোর্ড স্রেফ একটা দিক ধরে রেখেছিলেন। উল্টো দিক থেকে আগ্রাসী ইনিংস খেলেন তিলকই। এর পর উইল জ্যাকসের সঙ্গে ২০ বলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন। দু’টি চার এবং দু’টি ছয়ের সাহায্যে জ্যাকস ১০ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। তিলকের ৭৫ রানের ইনিংসে ছ’টি করে চার এবং ছয় রয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন