ব্রুনো গিমারায়েসের (বাঁ দিকে) সঙ্গে ব্রাজ়িলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। ছবি: রয়টার্স।
ব্রাজ়িলকে এগিয়ে দিতে পারতেন ব্রুনো গিমারায়েস। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে সেই গোল হলে হয়তো ম্যাচের ছবিটা অন্য রকম হত। কিন্তু পারেননি ব্রুনো। জঘন্য শট মারেন তিনি। অথচ, সেই সময় মাঠেই ছিলেন ব্রাজ়িলের হয়ে চলতি বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোল করা ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তিনি থাকতেও কেন ব্রুনোকে পেনাল্টি মারতে পাঠাল ব্রাজ়িল। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন কোচ কার্লো আনচেলোত্তি।
খেলা শেষে ব্রাজ়িলের কোচ জানিয়েছেন, তাঁরা আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন যে, পেনাল্টি পেলে কে শট মারবে। আনচেলোত্তি বলেন, “পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের প্রথম পছন্দ নেমার। দ্বিতীয় পছন্দ রাফিনহা। তৃতীয় পছন্দ ব্রুনো। যেহেতু নেমার ও রাফিনহা মাঠে ছিল না। তাই ব্রুনো পেনাল্টি নিয়েছে।”
ব্রুনো পেনাল্টি ফস্কালেও তাঁর দোষ দেখছেন না কোচ। আনেচেলোত্তি বলেন, “ফুটবলে এই ঘটনা হয়েই থাকে। ব্রুনো অনুশীলনে প্রচুর পেনাল্টি নিয়েছে। গোল করেছে। ওর আত্মবিশ্বাস ছিল। কখনও আপনি গোল করবেন। আবার কখনও গোলরক্ষক দুর্দান্ত সেভ করবে।”
আনচেলোত্তি যা-ই বলুন না কেন, যেখানে দলের সর্বাধিক গোলদাতা মাঠে রয়েছে তখন তাঁকে কেন পেনাল্টি নিতে দেওয়া হবে না। এই ম্যাচেও ব্রাজ়িলের হয়ে সবচেয়ে ভাল ফুটবল ভিনিসিয়াসই খেলেছেন। তাঁর যা আত্মবিশ্বাস ছিল, তাতে হয়তো তিনি গোল করতেন। তা হলে বিশ্বকাপে টিকে থাকতে পারত ব্রাজ়িল।
ব্রুনো যে ভাবে শটটি নিয়েছেন, তা পাড়ার ফুটবলেও দেখা যায় না। পেনাল্টি শট মারার আগে থেমে যাওয়া এখনকার ফুটবলে খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। তার পরেও যদি গোলকিপারের হাতে বল তুলে দিতে হয় তা হলে মুশকিল। দেখেই মনে হয়েছে, ব্রুনো মোটেই পেনাল্টি মারতে পটু নন। তার পরেও তাঁর ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন আনচেলোত্তি।