ইয়ানিক সিনার। —ফাইল চিত্র।
মাদ্রিদ ওপেনের ফাইনালে উঠে একসঙ্গে নোভাক জোকোভিচ, রজার ফেডেরার এবং রাফায়েল নাদালের কীর্তি স্পর্শ করলেন ইয়ানিক সিনার। ফ্রান্সের আর্থার ফিলসকে সেমিফাইনালে ৬-২, ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়েছেন বিশ্বের একনম্বর টেনিস খেলোয়াড়।
মাদ্রিদ ওপেনের ফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে একটি কীর্তি গড়েছেন সিনার। বিশ্বের চতুর্থ খেলোয়াড় হিসাবে ন’টি এটিপি মাস্টার্স প্রতিযোগিতার ফাইনালেই উঠলেন ইটালির তারকা। ২৪ বছরের সিনারের আগে এই কৃতিত্ব ছিল জোকোভিচ, ফেডেরার এবং নাদালের।
২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রতিটি মাস্টার্স প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন সিনার। এত কম বয়সে কেউ এমন কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। এ ক্ষেত্রে ২০১৩ সালে জোকারের গড়া বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। জোকোভিচ ন’টি মাস্টার্সের ফাইনালে উঠেছিলেন ২৫ বছর ১৩৯ দিন বয়সে। ২০১৩ সালে সাংহাই ওপেনের ফাইনালে উঠে নজির গড়েছিলেন বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বর খেলোয়াড়। সিনার এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন ২৪ বছর ২৫৬ দিন বয়সে।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে চলে গেলেন নাদাল। তিনি ২৭ বছর ৬৯ দিন বয়সে ন’টি মাস্টার্সের ফাইনালে ওঠার মাইলফলক স্পর্শ করেন ২০১৩ সালের সিনসিনাটি ওপেনে। বিশ্বের আর এক প্রাক্তন এক নম্বর ফেডেরার এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন ২০১৩ সালের প্যারিস ওপেনে। সে সময় ফেডেরারের বয়স ছিল ৩০ বছর ৯১ দিন। জোকোভিচ, নাদাল এবং ফেডেরার একই বছরে ন’টি এটিপি মাস্টার্স ফাইনালে ওঠার মাইলফলক ছুঁয়ে ছিলেন। তাঁদের ১৩ বছর পর বিশ্বের চতুর্থ খেলোয়াড় হিসাবে সেই কীর্তি স্পর্শ করলেন সিনার।
এটিপি প্রতিযোগিতাগুলিতে ৪৩৮টি ম্যাচ খেলে এই নজির গড়েছেন সিনার। এ ক্ষেত্রে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় দ্রুততম। অক্ষত থাকল নাদালের বিশ্বরেকর্ড। তিনি ৪২৯তম ম্যাচে মাইলফলক স্পর্শ করেন। তবে সবচেয়ে কম ৪১টি মাস্টার্স প্রতিযোগিতা খেলে কীর্তি গড়েছেন সিনার।