Viral Video

আইফেল টাওয়ারের মাথায় আছড়ে পড়ল বাজ! চকিতে যেন হাজার আলোর রোশনাই, বিরল মুহূর্তের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বজ্রপাত আইফেল টাওয়ারের জন্য নতুন কোনও ঘটনা নয়। প্রতি বছরই একাধিক বার বজ্রপাতের শিকার হয় আইফেল টাওয়ার। আবহাওয়ার পরিস্থিতি ও বজ্রঝড়ের তীব্রতার উপর নির্ভর করে বছরে প্রায় ৫ থেকে ১০ বার সরাসরি বজ্রপাত আঘাত হানে এই ৩৩০ মিটার উচ্চতার কাঠামোটিতে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১৩:১৬

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস সাক্ষী রইল এক অভূতপূর্ব ঘটনার। বিরল আবহাওয়ার দৃশ্য তৈরি হল প্যারিসের অন্যতম আকর্ষণ আইফেল টাওয়ারে। রাজধানী জুড়ে বয়ে যাওয়া এক শক্তিশালী ঝড়বৃষ্টির সময় আইফেল টাওয়ার পড়ল বজ্রাঘাতের কবলে! ভয়ঙ্কর ঝড়ের রাতে বিদ্যুতের ঝলকে আলোকিত হয়ে উঠল প্যারিসের আকাশ। আর বজ্রপাতের তীব্র আলোয় নতুন রূপ ধরা পড়ল আইফেল টাওয়ারের। সেই অপরূপ দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি হয়ে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, কালো মেঘে ঢেকে গিয়েছে প্যারিসের আকাশ। মাঝেমধ্যেই আকাশ চিরে ঝলকে উঠছে বিদ্যুতের শিখা। ঠিক সেই মুহূর্তে ৩৩০ মিটার উচ্চতার লোহার কাঠামোয় বিদ্যুতের এক তীব্র ঝলক স্পর্শ করে। তৈরি হয় এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। দৃশ্যটি উদ্বেগজনক মনে হলেও বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এ ধরনের বজ্রপাত প্রত্যাশিত। এই বিশ্বখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভটি তা সহ্য করার জন্যই বিশেষ ভাবে নির্মিত। টাওয়ারটির উচ্চতার কারণে বজ্রঝড়ের সময় এটি একটি স্বাভাবিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।

ভিডিয়োটি এক্স হ্যান্ডলে ‘র‌্যাপিডরিপোর্ট২০২৫’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার পর তা ২৪ লক্ষ বার দেখা হয়েছে। ভিডিয়োয় ধরা পড়া নৈসর্গিক দৃশ্যটি দেখে মোহিত হয়ে গিয়েছেন নেটাগরিকেরা। বজ্রপাতের দৃশ্যটি দেখে অনেকে আবার সৌধটির ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে চিন্তিত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বজ্রপাত আইফেল টাওয়ারের জন্য নতুন কোনও ঘটনা নয়। প্রতি বছরই একাধিক বার বজ্রপাতের শিকার হয় আইফেল টাওয়ার। আবহাওয়ার পরিস্থিতি ও বজ্রঝড়ের তীব্রতার উপর নির্ভর করে বছরে প্রায় ৫ থেকে ১০ বার সরাসরি বজ্রপাত আঘাত হানে এই ৩৩০ মিটার উচ্চতার কাঠামোটিতে। তবে এতে টাওয়ারের কোনও ক্ষতি হয় না। কারণ আধুনিক বজ্র সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদ্যুতের প্রবাহ নিরাপদে মাটির নীচে চলে যায়।

আইফেল টাওয়ারের সম্পূর্ণ ধাতব কাঠামো একটি বিশাল ফ্যারাডে কেজের মতো কাজ করে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে যে নীতির ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন, তারই প্রয়োগ দেখা যায় এখানে। বজ্রপাত সরাসরি টাওয়ারে আঘাত করলেও বৈদ্যুতিক প্রবাহ কাঠামোর বাইরের ধাতব অংশ বেয়ে নিরাপদে নীচে নেমে যায়, ফলে ভিতরে থাকা দর্শনার্থী বা পর্যবেক্ষণ ডেকে থাকা মানুষজন সুরক্ষিত থাকেন।

Advertisement
আরও পড়ুন