Bizarre

বছরে সওয়া চার কোটি বেতনের চাকরির মায়া ছেড়ে এক বছরে পাঁচ গুণ আয় করলেন প্রযুক্তিবিদ! কী ভাবে সম্ভব, জানালেন তরুণ

প্রাক্তন গুগ্‌ল কর্মী সালাহোদিন সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, টেক্সাসে একটি বারবিকিউ রেস্তরাঁ চালিয়ে গত বছর তিনি প্রায় ২১.৭ কোটি টাকার (২৩ লক্ষ ডলার) ব্যবসা করেছেন। এই বছরে তা ৩৭.৮ কোটি টাকা (৪০ লক্ষ ডলার) পর্যন্ত পৌঁছোনোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তিনি। গুগ্‌লের প্রাক্তন কর্মীর দাবি, ব্যবসা শুরুর পর থেকে নিজের জন্য একটি ডলারও নেননি তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১১:০৬

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

মাইক্রোসফ্‌ট, গুগ্‌ল, ইউটিউব এবং ক্রুজ়ের মতো বড় প্রযুক্তি সংস্থায় ১৪ বছরের কেরিয়ার। বার্ষিক আয় ছিল প্রায় সওয়া চার কোটি টাকা। সে সবের মায়া ছেড়ে ব্যবসায় মন দিয়েছিলেন তরুণ। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রায় দেড় দশক কাটানোর পর তাঁর মোহভঙ্গ হয়ে যায় বলে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন তিনি। মোটা বেতনের চাকরি ছে়ড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একটি বারবিকিউ রেস্তরাঁ খোলার সিদ্ধান্ত নেন ৩৫ বছর বয়সি সালাহোদিন আবদুল-কাফি। তাঁর মনে হয়েছিল জীবনযাত্রার উন্নতির চেয়ে অর্থ উপার্জনের দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।

Advertisement

৫০ শতাংশেরও বেশি বেতন কমিয়ে, সান ফ্রান্সিসকো ছাড়ার পর সালাহোদিন একটি ধর্মীয় অলাভজনক সংস্থায় যোগ দেন। নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি তিনি বন্ধুদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করতেন। সেখানে তাঁর বারবিকিউ রান্নার রেসিপিগুলি পরিচিত মহলে প্রশংসা লাভ করতে শুরু করে। কিছু দিন পর তিনি লক্ষ করেন টেক্সাসে বারবিকিউয়ের রেস্তরাঁগুলিতে তাঁর রেসিপিগুলি পাওয়া যায় না। ২০২৪ সালে তাঁর রেস্তরাঁর পথচলা শুরু হয়। প্রথমে তিন দিনের জন্য রান্না করেছিলেন সালাহোদিন। কিন্তু প্রথম দিনেই নাকি সমস্ত খাবার নিঃশেষ হয়ে যায়।

সালাহোদিন সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, গত বছর তিনি প্রায় ২১.৭ কোটি টাকার (২৩ লক্ষ ডলার) ব্যবসা করেছেন এবং এই বছরে তা ৩৭.৮ কোটি টাকা (৪০ লক্ষ ডলার) পর্যন্ত পৌঁছোনোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তিনি। প্রাক্তন গুগ্‌ল কর্মীর দাবি, ব্যবসা শুরুর পর থেকে একটি ডলারও নেননি তিনি। নিজের সঞ্চয় দিয়েই জীবনযাপন করেছেন বলে দাবি সালাহোদিনের। ১০ লক্ষ ডলার বা সাড়ে ন’কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসাটি শুরু করেছিলেন তিনি। যদিও সেই ঋণ শোধ করা সম্ভব হয়নি এখনও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রেস্তরাঁ পরিচালনার খরচের খতিয়ান দিয়েছেন তিনি। ব্যবসা চালাতে মাসে ১ কোটি ৮০ লক্ষ থেকে ২ কোটি টাকা খরচ হয় তাঁর। খাবার তৈরিতে ১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা, কর্মীদের জন্য ৪৭ লক্ষ টাকা এবং ভাড়ার জন্য ১৪ লক্ষ টাকা খরচ হয়ে যায়।

Advertisement
আরও পড়ুন