ছবি: সংগৃহীত।
পরিবারের অসম্মতি থাকলে মন্দিরে গিয়ে বা রেজিস্ট্রির পর সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করেন দম্পতিরা। তাই বলে চলন্ত ট্রেনে প্রেমিকার সিঁথিতে সিঁদুর দেওয়ার নজির বোধহয় খুব কমই আছে। তেমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন রেলকামরায় থাকা যাত্রীরা। চলন্ত ট্রেনে এক তরুণ-তরুণীর আবেগঘন মুহূর্তের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই ঝড় তুলেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক যুবক কামরা জানলার ধারে বসা এক তরুণীর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছেন। ঘটনাটি যখন ঘটে, তখন তরুণীকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমার বাবা রাজি হবে না।’’ তরুণীর এই আক্ষেপটি দৃশ্যটিতে আবেগঘন মাত্রা যোগ করে। তরুণীর মুখে এ কথা শোনার পর তাঁর প্রেমিক জানান, সকলেই মেনে নেবে। উল্টো দিকে বসা এক তরুণকেও বলতে শোনা যায় এই বিয়েতে তরুণী রাজি কি না। সেই কথার উত্তরে সলজ্জ ভঙ্গিতে তরুণী উত্তর দেন যে এই বিয়েতে সম্মতি রয়েছে তাঁর। এই পুরো কথোপকথনের ভিডিয়োটিই ভাইরাল হয়েছে সমাজমাধ্যমে।
ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িতে পড়তেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীরা ভালবাসা, বাবা-মায়ের অনুমোদন এবং এই ধরনের অন্তরঙ্গ মুহূর্ত জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত কি না, তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত। এক্স হ্যান্ডলে ‘অঞ্জলিলার্ন’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট হওয়ার প্রচুর প্রতিক্রিয়া জমা পড়েছে। এক নেটাগরিক জানিয়েছেন, ‘‘বাবা যদি রাজি না হন, তা হলে তরুণী কী ভাবে রাজি হলেন?’’ আবার অনেক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী সম্ভাব্য পারিবারিক বিরোধিতা সত্ত্বেও নিজেদের মনের কথা শোনার জন্য দম্পতিটির প্রশংসা করেছেন। তবে, অন্যরা জনসমক্ষে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।