Viral Video

রিলের জন্য শিশুকে উঁচু বারান্দা থেকে ঝাঁপ দিতে বললেন তরুণ, নিলেন লুফেও! ভিডিয়ো দেখে সমালোচনার ঝড় নেটপাড়ায়

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি শিশু বারান্দার কিনারায় দাঁড়িয়ে হাতে ভারতের জাতীয় পতাকা ধরে আছে। শিশুটি নীচের দিকে তাকিয়ে আছে। নীচে এক তরুণ হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। একনাগাড়ে শিশুটির দিকে তাকিয়ে আছেন আর ইশারা করে নীচে নেমে আসতে বলছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ১৪:৪৯

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

সমাজমাধ্যমে কিছু লাইক, শেয়ার পাওয়ার জন্য বহু মানুষই বিপজ্জনক কাজ করে থাকেন। এমনকি প্রাণের ঝুঁকি নিতেও দ্বিধা করেন না অনেকে। তাই বলে ছোট্ট শিশুর জীবন নিয়ে ছেলেখেলা! তিন-চার বছরের শিশুকে নিয়ে এক তরুণকে এমন একটি স্টান্ট করতে দেখা গিয়েছে, যা দেখে বাক্‌রুদ্ধ হয়ে গিয়েছেন দর্শকেরা। নীচে দাঁড়িয়ে থেকে শিশুটিকে উঁচু বারান্দা থেকে ঝাঁপ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে থাকেন ওই তরুণ। সেই হাড়হিম করা দৃশ্যের একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি শিশু বারান্দার কিনারায় হাতে ভারতের জাতীয় পতাকা ধরে দাঁড়িয়ে আছে। শিশুটি নীচের দিকে তাকিয়ে আছে। নীচে এক তরুণ হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। একনাগাড়ে শিশুটির দিকে তাকিয়ে আছেন আর ইশারা করে নীচে নেমে আসতে বলছেন। শিশুটি ওই অবস্থায় তরুণের দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এর পর হঠাৎ বারান্দা থেকে লাফ দেয়। তরুণ শিশুটিকে সময়মতো ধরে ফেলেন। কোলে জড়িয়ে নেন। পরের দৃশ্যে তাঁদের দু’জনকেই স্বাভাবিক ও হাসিখুশি দেখায়। কয়েক সেকেন্ড আগে যে বিপজ্জনক স্টান্ট তারা করছিলেন তা একচুল এ দিক ও দিক হলে ফলাফল মারাত্মক হতে পারত, সে নিয়ে তাঁরা চিন্তিত নন। ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর তরুণের আচরণ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে।

ভিডিয়োটি ‘বালমুকুন্দজোশী’ নামের এক সাংবাদিকের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভাইরাল হওয়ার পর এ নিয়ে বহু মানুষ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেক ব্যবহারকারী শিশুটির জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘ইনি কেমন মানুষ যিনি শিশুটির জীবন বিপন্ন করছেন?’’ বহু নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী এই ভিডিয়োটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। অন্য একজন নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি রোগে পরিণত হচ্ছে। শিশুটি যদি পরে এই একই কাণ্ড একা একা ঘটায় তখন তার দায় কে নেবে?’’ আর এক নেটাগরিক প্রশ্ন তোলেন, ‘‘শিশুটি যদি হাত থেকে ফসকে যেত তা হলে কী হত?’’

Advertisement
আরও পড়ুন