Bizarre Incident

‘এই আবর্জনা আপনিই খান’! পিৎজ়া খেতে নারাজ ডেলিভারি কর্মী, জানালেন কারণও, ব্যাখ্যা শুনে হতবাক নেটপাড়া

সম্প্রতি এমন এক ঘটনা নেটপাড়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যা জেনে বিস্মিত হয়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। এক ডেলিভারি কর্মীকে যখন এক ব্যক্তি পিৎজ়া খেতে অনুরোধ করেন, তখন তিনি সরাসরি সেটিকে ‘আবর্জনা’ বলে দেগে দেন। তাঁর না খাওয়ার কারণও জানায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ০৭:৫৮

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

কমবেশি সব মানুষই পিৎজ়া খেতে ভালবাসেন। ইটালির এই জনপ্রিয় খাবারটি ভারতীয়দেরও খুবই পছন্দের। আর তা যদি হাতে চলে আসে এক কানাকড়িও খরচ না করে, তবে তো কথাই নেই! কিন্তু সম্প্রতি এমন এক ঘটনা নেটপাড়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যা জেনে বিস্মিত হয়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। এক ডেলিভারি কর্মীকে যখন এক ব্যক্তি পিৎজ়া খেতে অনুরোধ করেন, তখন সে সরাসরি তা নাকচ করে দেয়।

Advertisement

সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে, একটি নামকরা খাবার সরবরাহকারী সংস্থার মাধ্যমে ‘একটি কিনলে একটি ফ্রি’ অফারে দু’টি পিৎজ়া অর্ডার করেন এক ব্যক্তি। সে সময় বৃষ্টি পড়ছিল। ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্য ছিল, একটি পিৎজ়া তিনি ওই ডেলিভারি কর্মীকে দেবেন। বৃষ্টি মাথায় করে যিনি দোরগোড়ায় খাবার পৌঁছে দেবেন, তাঁর জন্য এটুকু করাই যায়, এমনটাই হয়তো ভেবেছিলেন ওই ব্যক্তি।

মনে মনে হয়তো এ-ও ভেবেছিলেন যে এতে খুশি হবেন ওই ডেলিভারি কর্মী। কিন্তু বাস্তবে ঘটল ঠিক উল্টো। খাবার দিতে আসা তরুণ তাঁকে যা বলেন, তাতে ওই ব্যক্তি একেবারে হতচকিত হয়ে যান। ডেলিভারি কর্মী পিৎজ়া খেতে অস্বীকার করেন। শুধু তাই-ই নয়, তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এই আবর্জনা আপনিই খান, আমি তো বাড়ির খাবার খাই।”

এক্সের (সাবেক টুইটার) ‘দেখানে_মুকুল’ নামের হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটি ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। যদিও পোস্টটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথাকার তা-ও জানা যায়নি।

এক লাখের বেশি নেটাগরিক পোস্টটি দেখেছেন। ডেলিভারি কর্মীর বক্তব্যে বেশ অবাকই হয়েছেন সকলে। কেউ আবার নিজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিয়েছেন। এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, “আমার সঙ্গে একই ঘটনা ঘটেছিল। ভুল করে আমাকে একটি অতিরিক্ত বার্গার পাঠানো হয়েছিল। আমি ডেলিভারি কর্মীকে সেটি খেতে দিয়েছিলাম। সে এমন ভাবে নিতে অস্বীকার করে যেন আমি তাকে বিষ দিচ্ছি!” আর এক নেটাগরিক মজার ছলে মন্তব্য করেছেন, “ডেলিভারি কর্মী মনে মনে ভাবছিলেন, এর চেয়ে ৩০ টাকা বখশিশ দিলে ভাল হত।”

Advertisement
আরও পড়ুন