ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
ফোনের দিকে তাকাতেই একটি মেসেজ দেখে চমকে গিয়েছিলেন তরুণ। ট্রাফিক নিয়ম ভাঙার জন্য তাঁর কাছে জরিমানা ধার্য করেছে ট্রাফিক পুলিশ। মোবাইলে তার ই-চালানও ঢুকেছে। কিন্তু যে স্কুটারটি ট্রাফিক নিয়ম ভাঙার জন্য তরুণের কাছে চালান ঢুকেছে, সেই বাহনটিই তো তরুণের কাছে নেই! তিন মাসে আগে তরুণের স্কুটার চুরি গিয়েছে। তখনই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তরুণ। তিন মাস ধরে পুলিশ সেই স্কুটার খুঁজে পাচ্ছিল না। অথচ সেই স্কুটারটি নিয়েই খোলা রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে চোর! অনলাইনে চালান পেয়েই সোজা পুলিশের কাছে ছুটলেন তরুণ। চালান দেখে তদন্ত শুরু করে স্কুটারের হদিস পেল পুলিশ। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি পোস্ট করা হয়েছে (যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘ফয়জ়ল রহমান’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলের পাতায় একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। সেই ছবিতে দেখা গিয়েছে যে, এক জন তরুণ কালো টি শার্ট পরে স্কুটার চালাচ্ছেন। তাঁর চোখে চশমা, পিঠে ব্যাগ। কিন্তু মাথায় হেলমেট নেই। সিসিটিভি ক্যামেরায় এই দৃশ্যই ধরা পড়েছে। ঘটনাটি হায়দরাবাদে ঘটেছে। জানা গিয়েছে, ফয়জ়ল রহমান নামের এক তরুণ হায়দরাবাদের বাসিন্দা। তিন মাস আগে তাঁর স্কুটার চুরি গিয়েছিল। হাবিবনগর থানায় স্কুটার চুরির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তিনি। কিন্তু তিন মাস ধরে তাঁর বাহনের কোনও হদিস পায়নি পুলিশ।
তিন মাস পর ফয়জ়লের মোবাইলে একটি ই-চালান ঢোকে। ট্রাফিক নিয়ম ভেঙে স্কুটার চালানোর জন্য জরিমানা ধার্য করেছে ট্রাফিক পুলিশ। অর্থাৎ, যে চুরি করেছে সে রাস্তায় স্কুটার চালানোর সময় ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। নিয়মানুযায়ী, স্কুটারের মালিকের কাছেই চালান আসার কথা। ই-চালান পেয়ে সোজা পুলিশের কাছে ছুটে গেলেন ফয়জ়ল। পুলিশ তদন্তে নেমে স্কুটার চোরকে খুঁজে বার করে এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়। বাহন ফিরে পেয়ে সেই ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে হায়দরাবাদ পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তরুণ। পোস্টটি দেখে এক নেটাগরিক মজা করে লিখেছেন, ‘‘এই কারণে ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। নিজের ভুলেই চোর ধরা পড়ে গেল।’’