ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
১১ জুন শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ। চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। এ বারই প্রথম ৪৮টি দেশকে নিয়ে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ফিফা। আমেরিকা, মেক্সিকো এবং কানাডা এর যৌথ আয়োজক। বিশ্বকাপের গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয় আলজেরিয়ার। ম্যাচের ১৭, ৬০ এবং ৭৬ মিনিটে গোল করে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিক পূরণ করেন লিয়োনেল মেসি। ‘মেসি-ম্যাজিকেই’ বাজিমাত করে আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনার হয়ে ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললেন মেসি। হ্যাটট্রিক করে তিনি ছুঁয়ে ফেললেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজ়ের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড৷ এই মুহূর্তে ক্লোজ়ে এবং মেসি দু’জনের ঝুলিতেই বিশ্বকাপে ১৬টি গোল রয়েছে। ৩৮ বছর ৩৫৭ দিন বয়সে, সবচেয়ে বেশি বয়সি হিসাবে হ্যাটট্রিকও করলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক, ভাঙলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর রেকর্ড। দেশের হয়ে ১১তম হ্যাটট্রিক করে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি হ্যাটট্রিকও করলেন তিনি। একমাত্র আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার হিসাবে লাগাতার পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করলেন এলএম১০।
মাঠে যখন তাঁর জাদু দেখাচ্ছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক, তখন আর এক মজাদার ঘটনা ঘটে মাঠের বাইরে। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, টুর্নামেন্টে ফক্স স্পোর্টসের বিশেষ প্রতিবেদক হিসাবে কর্মরত জেমিস উইনস্টন নামে এক তরুণ একটি দারুণ কাণ্ড ঘটান। লিওনেল মেসির জার্সি পরানো একটি আস্ত ছাগল নিয়ে উপস্থিত হন তিনি।
মেসিকে ‘সর্বকালের সেরা’ (গ্রেটেস্ট অফ অল টাইম, সংক্ষেপে জিওএট বা ‘গোট’) হিসাবে সম্মানিত করা হয়ে থাকে। সেই ভাবনাটিরই প্রতীক হিসাবে জেমিস এই কাজ করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। জেমিস আমেরিকার পেশাদার ফুটবলার। তিনি ন্যাশনাল ফুটবল লিগে নিউ ইয়র্ক জায়ান্টসের হয়ে কোয়ার্টার ব্যাক পজ়িশনে খেলেন।
এক্সের (সাবেক টুইটার) ‘এনএফএল_ডভক্লেইম্যান’ নামের হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। পোস্ট করার পরে প্রায় চার হাজার বার তা দেখা হয়েছে। অনেকে শেয়ারও করেছেন সেই ভিডিয়ো। অজস্র মন্তব্য জমা পড়েছে। জেমিসের এমন কাণ্ডে হেসে আকুল হয়েছেন নেটাগরিকেরা। কেউ কেউ আবার ‘সর্বকালের সেরা’ বিষয়টি নিয়ে এমন ঠাট্টাকে খোলা মনে মানতে পারেননি। এক জন আবার মজা করে মন্তব্য করেছেন, “ছাগলটিকে কি কোনও বাড়তি বখশিশ দেওয়া হল, না কি দৈনিক মজুরিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে?”