Rare Workplace Culture

‘মাথা সামান্য ঝিমঝিম করছে’! দুর্ঘটনার পরেও কাজে যোগ দিতে চাইলেন কর্মী, বকাঝকা করে বিশ্রাম নিতে বললেন বস্

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে দুর্ঘটনার পরেও কাজে যোগ দিতে চাইলেন এক কর্মী। তাঁর বস্‌ তাঁকে হাসপাতাল যেতে বললে ওই কর্মী জানান, তিনি ব্যথানাশক ও মাথাব্যথার ওষুধ খাবেন। তার পরেও ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ ১১:৪২

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

বেসরকারি সংস্থায় ‘কর্মসংস্কৃতি’ বলতে বোঝায় কেবল যন্ত্রের মতো কাজ করে যাওয়া। ব্যক্তিগত সময়ে তো তা থাবা বসায়ই, গুরুতর অসুস্থতাতেও মেলে না কোনও ছাড়। শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এ বোধহয় একেবারে ‘স্বাভাবিক’ বিষয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও দেখা যায়। সম্প্রতি এমন একটি ঘটনা সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা জেনে হইচই পড়ে গিয়েছে নেটাগরিকদের মধ্যে।

Advertisement

ভাইরাল হওয়া পোস্টটি থেকে জানা গিয়েছে এক কর্মী এবং তাঁর বসের মধ্যে কথোপকথন। হোয়াট্‌সঅ্যাপে বার্তা আদানপ্রদান করা হয়েছে, এমন একটি স্ক্রিনশট রয়েছে ওই পোস্টে। সেখানে দেখা গিয়েছে, ওই কর্মী লিখেছেন যে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়েছেন। যদি পরদিনও তিনি ব্যথা অনুভব করেন, সে ক্ষেত্রে ছুটির অনুমতি চান তিনি। তাঁর বস্‌ তাঁকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেন এবং বলেন যে মাথায় গুরুতর আঘাত লেগে থাকতে পারে।

কিন্তু ওই কর্মী জানান যে, তিনি ব্যথানাশক ও মাথাব্যথার ওষুধ খাবেন। তার পরেও ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। বিকেলের মধ্যে কাজে যোগ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। তাঁর বস্‌ তখন তাঁকে জানান, বিষয়টি কোনও মতেই হালকা ভাবে নেওয়া ঠিক নয়। তাঁর অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। তখন ওই কর্মী পুরো বিষয়টিকে লঘু করে উত্তর দেন, তাঁর সামান্য মাথা ঝিমঝিম করছে, গুরুতর কিছু নয়। তখন তাঁর বস্‌ এ-ও বলেন যে এটি মস্তিষ্কে আঘাত লাগার একটি লক্ষণ হতে পারে।

কথোপকথনটি এখানেই শেষ হয়। ওই কর্মী শেষমেশ কী করেছিলেন, তা ওই পোস্ট থেকে জানা যায়নি। পোস্টটির ক্যাপশনে ইন্দোনেশিয়ার বালির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সমাজমাধ্যম ‘থ্রেডস’-এর ‘ফ্রোলগা’ নামের হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটি পোস্ট করা হয়েছে। যদিও পোস্টটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়তেই ওই কর্মীর বসের প্রশংসা করেছেন সকলেই। পাশাপাশি ওই কর্মীর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার অনুমান করেছেন তিনি হয়তো চাকরি হারানোর ভয় পেয়েছিলেন।

Advertisement
আরও পড়ুন