Corporate Job

‘সম্মানের সঙ্গে আপস করব না’, ২০ শতাংশ বেতনবৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে চাকরিই ছেড়ে দিলেন তরুণ কর্মী!

ঘটনাটি সমাজমাধ্যম এক্স প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেছেন কেরিয়ার কাউন্সিলার সাইমন ইঙ্গারি। তিনি বর্ণনা করেছেন, কী ভাবে এক জন পেশাদার কর্মী সংস্থার দেওয়া বেশি বেতন এবং অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৫১
Post says employee rejects 20 percent hike for Respect and leave job

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

বার্ষিক বেতনের ২০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছিল সংস্থা। কিন্তু লোভনীয় সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন এক কর্মী। চাকরিও ছাড়লেন। সাফ জানিয়ে দিলেন, সম্মান নিয়ে কোনও রকম আপস করতে রাজি নন তিনি। ওই কর্মীর সঙ্গে ঘটা ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। নেটাগরিকদের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা কর্মীর সঙ্গে একমত— বেতনবৃদ্ধির চেয়ে কর্মক্ষেত্রে সম্মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছে ওই কর্মীর সঙ্গে? কেনই বা সম্মানের কথা বলে সংস্থার দেওয়া ২০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব ফেরালেন তিনি?

Advertisement

ঘটনাটি সমাজমাধ্যম এক্স প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেছেন কেরিয়ার কাউন্সিলার সাইমন ইঙ্গারি। তিনি বর্ণনা করেছেন, কী ভাবে এক জন পেশাদার কর্মী সংস্থার দেওয়া বেশি বেতন এবং অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার সিদ্ধান্ত নেন। সাইমনের পোস্ট অনুযায়ী, ওই কর্মচারী মাসে প্রায় ১ লক্ষ টাকা বেতন পেতেন। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে বেশ কয়েক বার অসম্মানিত হতে হয় তাঁকে। চাকরি ছাড়ার কথা ভাবছিলেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বেতন ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করে ১.২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় সংস্থা। কাগজে-কলমে সেটি একটি বড় অঙ্কের বেতন বৃদ্ধি বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু তার পরেও তিনি তা গ্রহণ না করে চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

কিন্তু সংস্থাও সহজে হাল ছাড়েনি। তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, কাজের পরিবেশ এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নতির কথা বলে তাঁকে থেকে যাওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করেছিল। এমনকি আগামী অর্থবর্ষে আরও ভাল বেতন বৃদ্ধির আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। তবুও তরুণ তাঁর সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। পোস্ট অনুযায়ী, কারণটি ছিল খুবই সহজ। ওই কর্মচারী বিশ্বাস করতেন যে, কর্মক্ষেত্রে সম্মানের বিকল্প হিসাবে ভবিষ্যতে কী হতে পারে তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া যায় না।

পরবর্তী তিন মাস ধরে সংস্থাটি তাঁকে থেকে যাওয়ার জন্য রাজি করানোর চেষ্টা চালিয়ে যায়। একই সময়ে কর্মচারীও নীরবে অন্যান্য সুযোগ খুঁজতে থাকেন এবং অন্যত্র ইন্টারভিউ দেন। অবশেষে, তিনি অন্য একটি সংস্থা থেকে আরও ভাল প্রস্তাব পান। ফলে চাকরি ছেড়়ে চলে যান তিনি।

ঘটনাটি ব্যাপক ভাবে সাড়া ফেলেছে সমাজমাধ্যমে। বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন কর্মসংস্কৃতি নিয়ে নানাবিধ আলোচনা হয়ে চলেছে। বেতনবৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ হলেও কর্মক্ষেত্রে কর্মীর সঙ্গে আচরণও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে।

Advertisement
আরও পড়ুন