Russia vs Ukraine

ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ঠেকাতে রাস্তায় ‘শান্তির জল’ ছেটাচ্ছেন যাজকেরা! রাশিয়ার ধর্মীয় শোভাযাত্রা ঘিরে উঠল প্রশ্ন

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, আধুনিক যুদ্ধে ব্যবহৃত ড্রোন ও প্রযুক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য একটি অনন্য পন্থা অবলম্বন করেছেন রুশ ধর্মগুরুরা। শহরে ক্রমাগত ড্রোন হামলার কারণে শঙ্কিত তাঁরা। পরিত্রাণের পথ খুঁজতে তাই গির্জার যাজকেরা রাস্তায় নেমে পড়েছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১৩:২৭

ছবি: সংগৃহীত।

ড্রোন হামলা আটকে দেবে প্রার্থনা। ইউক্রেনের ড্রোনের আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছেন রাশিয়ার ধর্মযাজকেরা। শহরে ক্রমাগত ড্রোন হামলার মাঝেই গির্জার যাজকেরা রাস্তায় নেমে এসেছেন। শহর জুড়ে একটি প্রার্থনা মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁরা। এমনই একটি খবর প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে বিশ্ব জুড়ে। সমাজমাধ্যমেও ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন পোস্ট। যদিও সেই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, আধুনিক যুদ্ধে ব্যবহৃত ড্রোন ও প্রযুক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের জন্য একটি অনন্য পন্থা অবলম্বন করেছেন রুশ ধর্মগুরুরা। শহরে ক্রমাগত পড়শি শত্রুদেশের ড্রোন হামলার কারণে শঙ্কিত তাঁরা। পরিত্রাণের পথ খুঁজতে তাই গির্জার যাজকেরা রাস্তায় নেমে পড়েছেন। চলছে মন্ত্রঃপূত জল ছিটোনো। শহর জুড়ে একটি প্রার্থনা মিছিলের নেতৃত্ব দেন তাঁরা। ধর্মযাজকদের বিশ্বাস, যেখানে প্রযুক্তি ব্যর্থ হয়, সেখানে বিশ্বাস জয়ী হয়। সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, রাশিয়ার পার্ম শহরে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলা হয়েছে। তাতে শহরবাসীর মনে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শহরে নিরাপত্তা বজায় রাখতে ও উদ্বেগ দূর করতে স্থানীয় গির্জা একটি ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করার সিদ্ধান্ত নেয়। উদ্বিগ্ন বাসিন্দাদের কথা ভেবে গত ১২ মে, গির্জার বেশ কয়েক জন যাজক মাতা মেরির প্রতিকৃতি নিয়ে পার্ম শহর প্রদক্ষিণ করেন। বিশেষ প্রার্থনাও করেন তাঁরা। শহরের কবরস্থান, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রধান প্রবেশদ্বারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে থেমে এই প্রার্থনা করেন যাজকেরা।

খ্রিস্টান ধর্মগুরুদের দাবি, এই ঐতিহ্য প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। যখনই মানুষ সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছে তখনই এই ধরনের ধর্মীয় আচারগুলি পালন করা হত। এই ধরনের প্রার্থনা বিপদে মানুষকে স্বস্তি দিয়েছে। এই ঘটনাটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে আলোচনা ঝড় উঠেছে। কেউ কেউ মনে করছেন আধুনিক প্রযুক্তির যুগের যুদ্ধকে প্রার্থনা দিয়ে ঠেকানো কার্যত অসম্ভব। নেটাগরিকদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন প্রার্থনা দিয়ে ড্রোন হামলা প্রতিরোধ করা সম্ভব, না কি কেবল মনকে শান্ত করার উপায় মাত্র।

Advertisement
আরও পড়ুন