Mumbai residential complex

দিতে হয় না রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, উল্টে ফি বছর বিপুল টাকা পান ফ্ল্যাটমালিকেরাই! কোথায় আছে এমন ‘সুখের নীড়’?

সমাজমাধ্যম একটি ভিডিয়োয় দাবি করা হয়েছে একটি অভিজাত বহুতলে থাকার জন্য বাসিন্দারা বছরে আড়াই লক্ষ টাকা পান। এমনকি সেখানে থাকার জন্য মাসে মাসে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এক পয়সাও দিতে হয় না আবাসনের ফ্ল্যাটমালিকদের।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২১
Jolly Maker

ছবি: সংগৃহীত।

মুম্বই নগরীতে এক চিলতে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজে পেতে গেলে গুনতে হয় চড়া মূল্য। বাড়ি কেনা মানেই কয়েক কোটির ধাক্কা। মাসিক ভাড়ার অঙ্ক লাখ টাকাও ছুঁয়ে যেতে পারে। সেই সব বাড়ির মাসিক রক্ষণাবেক্ষণের খরচও আকাশছোঁয়া। এ সবের মাঝেও এমন একটি হাউজ়িং সোসাইটি আছে যারা তাদের বাসিন্দাদের থেকে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনও টাকা নেয় না। উল্টে সেই হাউজ়িংয়ে থাকার জন্য সেখানকার ফ্ল্যাটমালিকেরা উল্টে বছরে কয়েক লক্ষ টাকা করে পান!

Advertisement

দক্ষিণ মুম্বইয়ের সমৃদ্ধ কাফ প্যারেড এলাকায় অবস্থিত এই আবাসনটির নাম ‘জলি মেকার’। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ‘বিশাল ডট ভার্গব ডট ৭১০’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিয়োয় দাবি করা হয়েছে যে মুম্বইয়ের এই অভিজাত বহুতলে থাকার জন্য বাসিন্দারা আড়াই লক্ষ টাকা পান। বহুতলের সোসাইটি এখানে থাকার জন্য বাড়ির মালিককে মাসে মাসে টাকা দিয়ে থাকে। এখানে থাকার জন্য আবাসনের বাসিন্দারা সোসাইটিকে রক্ষণাবেক্ষণ ফি দেন না। পরিবর্তে, সোসাইটি প্রতিটি বাড়ির মালিককে একটি লভ্যাংশ দিয়ে থাকে।

এই অদ্ভুত ঘটনার নেপথ্য রহস্য লুকিয়ে আছে ১৯৭০ সালের একটি ব্যবসায়িক চুক্তিতে। ৭০-এর দশকে, যখন নির্মাতা এই জলি মেকারের অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি করছিলেন, তখন তিনি একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন ক্রেতাদের কাছে। নরিমান পয়েন্টে তাঁর অন্য একটি নির্মীয়মান ভবন কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বহুতল নির্মাতা। জলি মেকারের ফ্ল্যাটের দামের ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত টাকা তিনি ক্রেতাদের বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। নরিমান পয়েন্টের সেই ভবনটি বর্তমানে প্রতি মাসে ৫০ লক্ষ টাকা ভাড়া পায়। সেই টাকা জলি মেকারের রক্ষণাবেক্ষণ এবং বাড়ির মালিকদের ফেরত দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।

ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়তেই তা লক্ষ লক্ষ বার দেখা হয়েছে। ইনস্টাগ্রামের এই ভিডিয়োটি এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন পেটিএমের প্রতিষ্ঠাতা বিজয় শেখর শর্মাও। ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োটি দেখে প্রচুর নেটাগরিক তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এক নেটাগরিকের দাবি, বহুতল আবাসনের সদস্যেরা বছরে সাত লক্ষ টাকা লভ্যাংশ পান।

Advertisement
আরও পড়ুন