ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
লাফাতে লাফাতে বরফজমা হ্রদের উপর চলে গিয়েছিল একটি হরিণ। শত চেষ্টা করেও আর সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারছিল না সে। বার বার পা পিছলে পড়ে যাচ্ছিল। ভয় পেয়ে চিৎকার করতে শুরু করে হরিণটি। হ্রদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক স্থানীয় বাসিন্দা হরিণের চিৎকার শুনতে পান। হরিণটিকে সেই অবস্থায় দেখে সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকারী দলকে খবর দেন তিনি। সেই দলের এক তরুণ বরফজমা হ্রদে নেমে বরফের মধ্যে শুয়ে পড়ে হরিণটিকে উদ্ধার করেন। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘এবিসিনিউজ়’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, একটি হরিণ বরফজমা হ্রদের মাঝখানে ছটফট করছে। হাজার চেষ্টা করেও দাঁড়াতে পারছে না। তখনই হাতে স্ট্রেচার এবং দড়ি নিয়ে বরফজমা হ্রদে নেমে পড়েন এক তরুণ।
তরুণকে এগিয়ে আসতে দেখে ভয়ে সিঁটিয়ে যাচ্ছিল হরিণটি। পালানোর চেষ্টা করলেও পা পিছলে সেখানেই আবার পড়ে যাচ্ছিল সেটি। তরুণ দড়ি দিয়ে হরিণটিকে ভাল ভাবে বেঁধে দেন। হরিণটি ছটফট করলেও ধীরে ধীরে শান্ত হয়। তরুণ যে তাকে উদ্ধার করতে এসেছেন, তা বুঝতে পারে হরিণটি। এর পর বরফে শুয়ে পড়ে হরিণটিকে জড়িয়ে ধরেন তরুণ। বরফজমা হ্রদের অন্য প্রান্তে থাকা উদ্ধারকারী দলের অন্য কর্মীরা হরিণ এবং তরুণকে দড়ি ধরে টেনে উপরে তোলেন।
এই ঘটনাটি আমেরিকার ওয়াশিংটনের স্টিভেন্স কাউন্টি এলাকার লুন হ্রদে ঘটেছে। ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়তে তা ভালবাসায় ভরিয়ে দেন নেটপাড়ার অধিকাংশ। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘হরিণটি বিপদে পড়েছে দেখে সেই স্থানীয় যে উদ্ধারকারী দলকে খবর পাঠিয়েছিলেন, তা প্রশংসনীয়। ঝুঁকি নিয়ে হরিণটিকে উদ্ধার করার জন্য তরুণকে ধন্যবাদ। ভিডিয়োটি দেখে মন ভাল হয়ে গেল।’’