—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
হরমুজ় প্রণালীতে অবরোধ চলাকালীন ইরানি পতাকা দেওয়া পণ্যবাহী জাহাজ প্রবেশ করতেই তা দখল করে নেয় মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্যেরা। আমেরিকার অভিযোগ, তাদের অবরোধ চলাকালীন ওই জাহাজ হরমুজ়ে প্রবেশ করেছে। তাই জাহাজটি লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি চালানো হয়। তার পর ওই জাহাজ সম্পূর্ণ দখল করে নেওয়া হয়। চিন থেকে আগত ইরানের জাহাজ ‘তৌস্কা’কে আটক করার মার্কিন সেনাদের সেই রুদ্ধশ্বাস অভিযানটির একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, রাতের অন্ধকারে দ়ড়ি দিয়ে নেমে জাহাজটি দখল করছে মার্কিন সেনা। মেরিন কমান্ডোদের একটি দল দড়ি বেয়ে জাহাজটিতে নামার আগেই মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সেটির দিকে গুলি চালায়। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, ছ’ঘণ্টা ধরে বার বার সতর্কবার্তা পাঠানো সত্ত্বেও জাহাজটি তা মানতে চায়নি। নৌবাহিনীর কমান্ডোরা হেলিকপ্টার থেকে দড়ির সাহায্যে জাহাজটিতে নামেন। তত ক্ষণে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস স্প্রুয়ান্স গুলিবর্ষণ করে জাহাজের প্রোপালশন ব্যবস্থা অচল করে দেয়। এর পর নৌসেনা জাহাজে নেমে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। মার্কিন হামলায় ইরানি জাহাজের ইঞ্জিনঘরে বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানি জাহাজ দখলের বর্ণনা দিতে গিয়ে ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী মার্কিন রণতরী স্প্রুয়ান্স ইরানের পতাকাবাহী জাহাজটিকে সতর্ক করেছিল। বলা হয়েছিল, ওই জলপথে অবরোধ চলছে, তারা যেন আর না এগোয়। কিন্তু নাবিকেরা কথা শোনেননি। আমরা তাই জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছি। জাহাজটির ইঞ্জিনঘরে বড় গর্ত করে দিয়েছি। জাহাজটি আপাতত মার্কিন নৌবাহিনীর দখলে। ভিতরে কী আছে, আমরা তা খতিয়ে দেখছি।’’ সেন্ট্রাল কম্যান্ডের এক্স হ্যান্ডল থেকে জাহাজ দখলের ভিডিয়োটি পোস্ট করার পর বহু মানুষ তা দেখেছেন।