ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
গরমকাল মানেই শৈলশহরে মানুষের ভিড়। যদিও বর্ষা প্রায় চলেই এসেছে, অনেকেই পাহাড়ে বৃষ্টি দেখতেও ছুটে যান। নানা প্রান্ত থেকে মানুষজন পাহাড়ে ছুটি কাটাতে আসেন। সমতলের থেকে পাহাড়ি অঞ্চলগুলি সাধারণত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়। পাহাড়ি মানুষেরা নিজেদের লোকলয়কে অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখেন। কিন্তু বহু পর্যটকদের মধ্যে দেখা যায় অন্য রূপ। তেমনই এক পর্যটকের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়ো অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে দার্জিলিঙে।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, পাহাড়ি রাস্তার চারিপাশ আবৃত রয়েছে সাদা কুয়াশার চাদরে। রাস্তা দিয়ে ছুটে চলেছে একের পর এক গাড়ি। সেটির পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে সরু নর্দমা। সেই নর্দমার পাশে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করছেন এক পর্যটক তরুণ। এক স্থানীয় তরুণ তাঁর এই কাজ দেখে চটে গেলেন। রাস্তার উল্টো দিকেই অবস্থিত শৌচালয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেই পর্যটক মূত্রত্যাগের জন্য বেছে নিলেন রাস্তার পাশে বয়ে চলা নর্দমাকে। স্থানীয় তরুণ পর্যটককে তাঁর এ-হেন কাজ করার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেন। ‘খেয়াল করিনি’ বলে মুচকি হেসে চলে যেতে চাইলেন সেই পর্যটক। কিন্তু স্থানীয় তরুণও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। তিনি ছুটে গিয়ে কথা শোনালেন। পর্যটককে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি কোথা থেকে এসেছেন। উত্তরে তিনি বললেন বিহারের পূর্ণিয়া থেকে। তা শুনে স্থানীয় তরুণ বললেন এমন কাজ করে আপনি বিহারের বদনাম করলেন। কিন্তু পর্যটক সে সব কথা হেসেই উড়িয়ে দিলেন। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
‘তরুণস্পিকস’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় দুই লক্ষ ২৮ হাজার বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। পাঁচ হাজারেরও বেশি নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। নানা রকমের মন্তব্যে ভরে গিয়েছে ভিডিয়োটির মন্তব্যবাক্স। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘রাস্তার ধারে মূত্রত্যাগ করার জন্য এ সমস্ত পর্যটকের কাছ থেকে পেনাল্টি হিসাবে টাকা নেওয়া উচিত। তা হলে এঁরা আর এমন কাজ করবেন না।’’