মারণরোগকে হারিয়ে আনন্দে মাতল ছোট্ট লুই। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
শরীরে কর্কট রোগ বাসা বাধায় হারাতে হয়েছিল সব চুল। এ বার সেই খুদে বালক হারাল ক্যানসারকে। আবার চুল ফেরত পেয়ে আনন্দে মাতল সে। গাড়িতে চড়ে যাওয়ার সময় চুলে বাতাস মেখে আনন্দ উদ্যাপন করতে দেখা গেল তাকে। মন ভাল করা সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মারণরোগকে জয় করা ওই খুদের নাম লুই জনসন। ‘অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া’য় আক্রান্ত হয়েছিল সে। কিন্তু হার না মেনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেয় ছোট্ট লুই। চিকিৎসা শুরু হয় তার। সমস্ত চুল বিসর্জন দিতে হয় লুইকে। সম্প্রতি ক্যানসারকে হারিয়ে আবার চুল ফেরত পেয়েছে ছোট্ট লুই। আর তা ফেরত পাওয়ার পরে গাড়িতে যাওয়ার সময় সেই চুলে বাতাসের স্পর্শ অনুভব করে খুশিতে মেতে উঠতে দেখা গিয়েছে তাকে। সেই ভিডিয়ো ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছে লুইয়ের মা কেটি। কঠিন চিকিৎসা যাত্রার পর পুত্রের সাহস, আরোগ্য এবং সুস্থ হয়ে ওঠার আনন্দ সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন তিনি।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গাড়িতে বসে আনন্দে মেতে উঠেছে লুই। তার চুলে বাতাস স্পর্শ করায় হাসছে সে। চোখ বন্ধ করে উপভোগ করছে সেই বাতাস। লুইয়ের মা কেটি জনসনের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে ভিডিয়োটি। ভিডিয়োটি দেখার পর চোখে জল এসেছে নেটাপাড়ার অনেকের। অনেকে আবার ছোট্ট লুইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘আমি প্রার্থনা করি, শিশুটি দীর্ঘ ও সুখী জীবন পাক।” অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘ওর হাসিটা খুব মিষ্টি। ঈশ্বর এই শিশুর মঙ্গল করুন।”
অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া শিশুদের অন্যতম সাধারণ ক্যানসার। কেমোথেরাপির মতো চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকর হলেও সেই রোগে শিশুদের চুল পড়ে যায়। ক্লান্তি দেখা যায় শরীরে। চুল পড়ে যাওয়া কমবয়সি রোগীদের জন্য মানসিক ভাবে বেশ কষ্টকর হতে পারে। তাই লুইয়ের চুল পুনরায় গজানো আরোগ্য এবং নতুন স্বাস্থ্য ফিরে পাওয়ার একটি অর্থবহ চিহ্ন বলেই মনে করছেন চিকিৎসকেরা।