Viral Video

হেলমেট না পরায় মূক-বধির তরুণকে বাইক দাঁড় করানোর নির্দেশ, পরবর্তী ঘটনা দেখে হতবাক নেটপাড়া! ভাইরাল ভিডিয়ো

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে বাইক চালিয়ে যাচ্ছেন এক তরুণ। তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। তরুণকে সামনে থেকে আসতে দেখে হাত দেখিয়ে থামতে বলেন ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মী।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫৭
Video shows Police stops deaf and mute biker, what happened next shocks internet

তরুণকে কী বোঝাচ্ছেন পুলিশ আধিকারিক? ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে হেলমেট না পরে বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন এক তরুণ। তাঁকে দেখেই বাইক দাঁড় করানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাফিকে কর্তব্যরত পুলিশকর্মী। কিন্তু এর পর তরুণ ইশারায় যা দেখালেন, তা দেখে কার্যত অবাক হয়ে গেলেন তিনি। হেলমেট পরার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে পাঠ পড়িয়ে তাঁকে যেতে দিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের রামঘাট রোডে। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে বাইক চালিয়ে যাচ্ছেন এক তরুণ। তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। তরুণকে সামনে থেকে আসতে দেখে হাত দেখিয়ে থামতে বলেন ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মী। তরুণও সঙ্গে সঙ্গে বাইক থামিয়ে দেন। এর পর পুলিশের ওই কর্মী তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি হেলমেট পরেননি কেন। তা দেখে তরুণ ইশারায় জানান, তিনি মূক এবং বধির। কথা শুনতে পারছেন না। পরিস্থিতি বোঝার পর ওই পুলিশকর্মী তাঁকে বাইকের কাগজপত্র এবং লাইসেন্স দেখাতে বলেন। সেগুলি বার করে দেখান তরুণ। পুলিশকর্মী নথিপত্র পরীক্ষা করে দেখেন যে সব কিছু বৈধ। এর পর হেলমেট না পরার জন্য ওই তরুণকে ইশারায় সতর্ক করেন তিনি। পাশাপাশি হেলমেট পরার প্রয়োজনীয়তা বোঝান ইশারাতেই। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘কারেন্ট হাব’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের একাংশ যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই অনেকে পুলিশকর্মীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। তবে অনেকে দাবি তুলেছেন, তরুণ মূক এবং বধির হলেও নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। তাই পুলিশকর্মীর উচিত ছিল শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘ভিডিয়োটি দেখে মন ভাল হয়ে গেল। ওই পুলিশকর্মীকে কুর্নিশ। সব পুলিশের এমন হওয়া উচিত।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘যে কোনও পরিস্থিতিতেই নিয়ম মানা উচিত। প্রাণ থাকলে তবে সব ঠিক থাকবে। তরুণ মূক এবং বধির হওয়ায় আমার সহানুভূতি রয়েছে। কিন্তু তিনি ভুল করেছেন। পুলিশকর্মীরও চালান কাটা উচিত ছিল।’’

Advertisement
আরও পড়ুন