Bizarre

‘কেন আপনাকে চাকরি দেওয়া উচিত নয়?’ সিইও-র প্রশ্নের অদ্ভুত উত্তর দিয়ে চাকরি পেলেন তরুণী! হইচই নেটপাড়ায়

চাকরির সাক্ষাৎকারের সময় বেশির ভাগ প্রার্থীকে তাঁদের দক্ষতা এবং দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। কেন সংস্থার তাঁকে নিয়োগ করা উচিত, তা নিয়ে যুক্তিসঙ্গত কারণ জানাতে বলা হয় প্রার্থীকে। কিন্তু এক চাকরিপ্রার্থী তরুণীর ক্ষেত্রে ঘটেছে উল্টো ঘটনা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৮
Woman claims she got job after giving answer about why the company should not hire her

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

কেন তাঁকে চাকরিতে নেওয়া উচিত নয়, গুছিয়ে তার উত্তর দিয়েছিলেন তরুণী। আর সেই জবাব দিয়ে ওই সংস্থাতেই ভাল বেতনের চাকরি পেলেন তিনি। পুরো ঘটনাটিকে সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন ওই তরুণী নিজেই। তাঁর সেই পোস্ট ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। হইচইও পড়েছে নেটপাড়ায়।

Advertisement

চাকরির সাক্ষাৎকারের সময় বেশির ভাগ প্রার্থীকে তাঁদের দক্ষতা এবং দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। কেন সংস্থার তাঁকে নিয়োগ করা উচিত, তা নিয়ে যুক্তিসঙ্গত কারণ জানাতে বলা হয় প্রার্থীকে। কিন্তু ওই তরুণীর ক্ষেত্রে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। তাঁকে কেন নিয়োগ করা উচিত নয়, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সমাজমাধ্যমে ‘ক্যাতায়নী শুক্ল’ নামের এক্স হ্যান্ডলে ওই তরুণী জানিয়েছেন, সম্প্রতি একটি চাকরির আবেদন করেছিলেন তিনি। তাঁর আবেদন গৃহীত হয়। ইন্টারভিউয়েও ডাক পান তিনি। সমস্ত ধাপ উত্তীর্ণ করে একদম শেষ ধাপে সংস্থার সিইও-র মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। তরুণী লিখেছেন, ‘‘চাকরির সাক্ষাৎকারের সময় আমাকে নিয়োগ করা কেন উচিত নয়, তার জন্য যুক্তিসঙ্গত কারণ দিতে বলেন সিইও। আমি জানাই যে এই উত্তর দেওয়ার জন্য আমার সময়ের প্রয়োজন এবং উত্তর ইমেল মারফত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসি।’’

তরুণী জানিয়েছেন, কয়েক ঘণ্টা পরেই সিইও-র তরফে তাঁর কাছে আবার উত্তর চাওয়া হয়। উত্তর দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না তাঁর। এর পর ওই তরুণী ইমেলে লেখেন, ‘‘আমাকে চাকরি না দেওয়ার একটা ভাল কারণ হল আমি আমার জীবন গুছিয়ে রাখি। এর অর্থ আমি আমার ব্যক্তিজীবন এবং পেশাজীবনকে সুসংগঠিত রাখি। সাধারণত সপ্তাহের দিনগুলিতে সকাল ৯টা থেকে ৫টার মধ্যে কাজ করি এবং ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সেরে ফেলি।’’ এর পরেই তাঁর কাছে চাকরিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব আসে বলে জানিয়েছেন তরুণী।

তরুণীর ওই পোস্ট ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। পোস্টটি দেখার পর নেটাগরিকদের অনেকে যেমন সংস্থার সিইওকে এমন একটি অস্বাভাবিক এবং সৃজনশীল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার জন্য প্রশংসা করেছেন, তেমনই অনেকে আবার প্রশংসা করেছেন তরুণীর আত্মবিশ্বাসের। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘আপনার উত্তরে মেধার ছাপ রয়েছে। চাপের মধ্যেও ভাল উত্তর দিয়েছেন আপনি। যে কোনও বুদ্ধিমান সিইও আপনার প্রশংসা করবে।”

Advertisement
আরও পড়ুন