SIR Death Case

ফের ‘এসআইআর আতঙ্কে’ মৃত্যুর অভিযোগ! শুনানিকেন্দ্রে যাওয়ার আগে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারালেন ৮০ বছরের বৃদ্ধ

উত্তর ২৪ পরগণার হিঙ্গলগঞ্জের ভান্ডারখালির ১৬৩ নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন অসিত। পরিবার সূত্রে খবর, এসআইআর শুনানির জন্য অসিত ও তাঁর পুত্রবধূর ডাক পড়েছিল হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক অফিসে। সেই মতো, শনিবার সকালে সেখানে তাঁদের যাওয়ার কথা ছিল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:১৬

— প্রতীকী চিত্র।

এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছিলেন অসিত কুন্ডু। শনিবার সকালে শুনানিকেন্দ্রে যাওয়ার আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৮০ বছরের ওই বৃদ্ধ। আচমকা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের অভিযোগ, ভয় এবং আতঙ্কে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।

Advertisement

উত্তর ২৪ পরগণার হিঙ্গলগঞ্জের ভান্ডারখালির ১৬৩ নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন অসিত। পরিবার সূত্রে খবর, এসআইআর শুনানির জন্য অসিত ও তাঁর পুত্রবধূর ডাক পড়েছিল হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক অফিসে। সেই মতো, শনিবার সকালে সেখানে তাঁদের যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুনানির কথা শুনেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন অসিত। এর পর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই মৃত্যু হয় অসিতের। পরিবারের অভিযোগ, শুনানিকেন্দ্রে যাওয়ার কথা শুনেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। পরিবারের দাবি, ‘এসআইআর আতঙ্কে’ তাঁর মৃত্যু হয়েছে। অসিতের ছেলে অরূপ কুন্ডু বলেন, “বাবা এবং আমার স্ত্রীকে আজ শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। এই দুটো বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে করতে বাবার মৃত্যু হয়।”

এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল নেতা সুরজিৎ বর্মণের দাবি, “এসআইআরের কারণেই অসিত কুন্ডুর মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য দায়ী নির্বাচন কমিশন এবং কমিশনকে যারা পরিচালনা করছে সেই বিজেপি।” যদিও এই বিষয়ে বিজেপি নেতা পলাশ সরকার বলেন, “যে কোনও মৃত্যু দুঃখজনক। কিন্তু যাঁদের মৃত্যু হচ্ছে, তাঁদের শংসাপত্রে ডাক্তার কি লিখছে ‘এসআইআর আতঙ্কে’ মৃত্যু হয়েছে?” তাঁর প্রশ্ন, ‘এসআইআর আতঙ্ক’ কী? পলাশ আরও বলেন, “আসলে ‘এসআইআর আতঙ্কে’ ভুগছে তৃণমূল,। কারণ এসআইআরের মধ্যে দিয়ে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা প্রকাশ্যে আসবে। ফলে, ভোট হলে তৃণমূলের হার নিশ্চিত। তাই তারা আতঙ্কে ভুগছে।”

Advertisement
আরও পড়ুন